ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলেই ব্যবস্থা: ত্রাণমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে কোনো ধরনের অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে বন্যা প্লাবিত মানুষের ক্ষেত্রে কোনো রাজনীতি নয়।

বুধবার দুপুরে বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের একটা প্রতিশ্রুতি ছিল যে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের সমস্ত খালগুলোকে পুনঃখনন করব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে যে বিপ্লব করেছিলেন, তখন খাদ্যে আমাদের ঘাটতি ছিল। এই খাল কাটার মাধ্যমে খাদ্যে উদ্বৃত্ত হয়েছিল। সেই খাদ্য বিদেশে রফতানি করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘসময় খাল খনন না হওয়ায় পানি প্রবাহটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি স্বচক্ষে সরেজমিনে দেখলাম যে এই খাল কাটার ফলে অনেকখানি পানি নিষ্কাশন হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন যেমন হবে, শুকনো মৌসুমে পানি ধরে রাখব আমরা। খালের পাড়ে আমরা গাছ লাগাব। খালের বাকি অংশটার কাজ যাতে সামনের শুকনো মৌসুমে সম্পন্ন হয় সেজন্য আমার মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেব। খালটাকে আরও সুন্দর করার জন্য আমি নির্দেশনা দিয়ে গেলাম।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ সিলেট ও হবিগঞ্জের কয়েকটি জেলায় সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতিবৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত ৪৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্গত মানুষের জরুরি সহায়তার জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ সভা করা হয়েছে। মৎস্য খাত, ঘরবাড়ি ও কৃষির কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তার একটি দ্রুত মূল্যায়ন তৈরি করতে বলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

দুর্যোগমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৫০টি জেলায় একটি করে মডেল খাল চিহ্নিত করা হবে। বাঁশখালীর এই জলকদরের খালটিকেও সেই মডেল খালের অন্তর্ভুক্ত করার আশা প্রকাশ করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন এবং বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলেই ব্যবস্থা: ত্রাণমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে কোনো ধরনের অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে বন্যা প্লাবিত মানুষের ক্ষেত্রে কোনো রাজনীতি নয়।

বুধবার দুপুরে বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের একটা প্রতিশ্রুতি ছিল যে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের সমস্ত খালগুলোকে পুনঃখনন করব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে যে বিপ্লব করেছিলেন, তখন খাদ্যে আমাদের ঘাটতি ছিল। এই খাল কাটার মাধ্যমে খাদ্যে উদ্বৃত্ত হয়েছিল। সেই খাদ্য বিদেশে রফতানি করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘসময় খাল খনন না হওয়ায় পানি প্রবাহটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমি স্বচক্ষে সরেজমিনে দেখলাম যে এই খাল কাটার ফলে অনেকখানি পানি নিষ্কাশন হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন যেমন হবে, শুকনো মৌসুমে পানি ধরে রাখব আমরা। খালের পাড়ে আমরা গাছ লাগাব। খালের বাকি অংশটার কাজ যাতে সামনের শুকনো মৌসুমে সম্পন্ন হয় সেজন্য আমার মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেব। খালটাকে আরও সুন্দর করার জন্য আমি নির্দেশনা দিয়ে গেলাম।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ সিলেট ও হবিগঞ্জের কয়েকটি জেলায় সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতিবৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত ৪৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্গত মানুষের জরুরি সহায়তার জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ সভা করা হয়েছে। মৎস্য খাত, ঘরবাড়ি ও কৃষির কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তার একটি দ্রুত মূল্যায়ন তৈরি করতে বলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

দুর্যোগমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৫০টি জেলায় একটি করে মডেল খাল চিহ্নিত করা হবে। বাঁশখালীর এই জলকদরের খালটিকেও সেই মডেল খালের অন্তর্ভুক্ত করার আশা প্রকাশ করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন এবং বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক প্রমুখ।