ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

‘কঠোর লকডাউনের’ মধ্যে খোলা থাকবে সব কাস্টম হাউস, স্থলবন্দর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় প্রতিরোধে সোমবার থেকে সাত দিনের জন্য ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের পরিবহণ চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

তবে এই লকডাউনের মধ্যেও স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন খোলা রাখা হবে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে দেশের সব স্থলবন্দরও খোলা থাকবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশের ১২টি স্থলবন্দরের সব কটিই এই কঠোর লকডাউনের মধ্যে খোলা থাকবে। বেনাপোল, হিলি, সোনামসজিদ, ভোমরা, বাংলাবান্ধা, বুড়িমারী, তামাবিল, আখাউড়া, বিবিরবাজার, টেকনাফ, নাকুগাঁও ও সোনাহাট- এই ১২টি স্থলবন্দরে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বিমানবন্দরের শুল্ক কার্যক্রমের পাশাপাশি সারা দেশে ৩০টির বেশি শুল্ক স্টেশনও খোলা থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা

‘কঠোর লকডাউনের’ মধ্যে খোলা থাকবে সব কাস্টম হাউস, স্থলবন্দর

আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় প্রতিরোধে সোমবার থেকে সাত দিনের জন্য ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের পরিবহণ চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

তবে এই লকডাউনের মধ্যেও স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন খোলা রাখা হবে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে দেশের সব স্থলবন্দরও খোলা থাকবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশের ১২টি স্থলবন্দরের সব কটিই এই কঠোর লকডাউনের মধ্যে খোলা থাকবে। বেনাপোল, হিলি, সোনামসজিদ, ভোমরা, বাংলাবান্ধা, বুড়িমারী, তামাবিল, আখাউড়া, বিবিরবাজার, টেকনাফ, নাকুগাঁও ও সোনাহাট- এই ১২টি স্থলবন্দরে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বিমানবন্দরের শুল্ক কার্যক্রমের পাশাপাশি সারা দেশে ৩০টির বেশি শুল্ক স্টেশনও খোলা থাকবে।