ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত কাপালি, প্রাইম ব্যাংকের রোমাঞ্চকর জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বল হাতে দুর্দান্ত ঘূর্ণিজাদুতে প্রতিপক্ষ দলকে অল্প রানে বেঁধে রাখায় বড় ভূমিকা রাখলেন অলক কাপালি। পরে ব্যাট হাতেও খেললেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।

এই অলরাউন্ডারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) সুপার লিগের ম্যাচে বুধবার গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ২ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। শুরুতে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রুপ। জবাবে ১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় প্রাইম ব্যাংক।

গাজী গ্রুপের ছুড়ে দেওয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করেছিল প্রাইম ব্যাংক। মাত্র ১৬ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটি একসময় ৫১ রানেই ৫ উইকেট হারায় তারা। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন নাহিদুল ইসলাম।

দলীয় ১০০ রানে সপ্তম উইকেট হিসেবে বিদায় নেওয়ার আগে নাহিদুলের ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ৩৯ রান। ইনিংসটি ১ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো। শেষদিকে দলের হাল ধরেন কাপালি।

শেষ ওভারে জেতার জন্য প্রাইম ব্যাংকের দরকার ছিল ১০ রান। রুবেল হোসেন প্রথম বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর বাকি ৫ বলে কাপালি এক বাউন্ডারি ও ছক্কাসহ নেন ১৩ রান। দলের জয় নিশ্চিত করার পথে এই ডানহাতি খেলেন ১৫ বলে ২১ রানের ইনিংস।

বল হাতে গাজী গ্রুপের মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ ও মমিনুল হক ১টি করে উইকেট নেন। বাকি উইকেট মাহমুদউল্লাহর।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। এরপর অলক কাপালি, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলামদের বোলিং তোপের মুখে গাজী গ্রুপের ব্যাটসম্যানরা ঠিকভাবে দাঁড়াতেই পারেননি।

ব্যাট হাতে গাজী গ্রুপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ওপেনার মেহেদি হাসান। ৩১ বলে ৩৩ রান করেছেন তিনি। এছাড়া আরিফুল হকের ব্যাট থেকে ২৮ বলে ৩১ রান এবং আকবর আলী করেন ২২ বলে ২৪ রান।

বল হাতে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ১৬ রান খরচে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন কাপালি। রুবেল মিয়া সমান ওভারে ১৮ রান খরচে নিয়েছেন ১ উইকেট। এছাড়া শরিফুল ২টি এবং রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান ১টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন।

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের অলক কাপালি। তার দলও আছে সুপার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত কাপালি, প্রাইম ব্যাংকের রোমাঞ্চকর জয়

আপডেট সময় ০৮:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বল হাতে দুর্দান্ত ঘূর্ণিজাদুতে প্রতিপক্ষ দলকে অল্প রানে বেঁধে রাখায় বড় ভূমিকা রাখলেন অলক কাপালি। পরে ব্যাট হাতেও খেললেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।

এই অলরাউন্ডারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) সুপার লিগের ম্যাচে বুধবার গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ২ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। শুরুতে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রুপ। জবাবে ১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় প্রাইম ব্যাংক।

গাজী গ্রুপের ছুড়ে দেওয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করেছিল প্রাইম ব্যাংক। মাত্র ১৬ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটি একসময় ৫১ রানেই ৫ উইকেট হারায় তারা। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন নাহিদুল ইসলাম।

দলীয় ১০০ রানে সপ্তম উইকেট হিসেবে বিদায় নেওয়ার আগে নাহিদুলের ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ৩৯ রান। ইনিংসটি ১ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো। শেষদিকে দলের হাল ধরেন কাপালি।

শেষ ওভারে জেতার জন্য প্রাইম ব্যাংকের দরকার ছিল ১০ রান। রুবেল হোসেন প্রথম বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর বাকি ৫ বলে কাপালি এক বাউন্ডারি ও ছক্কাসহ নেন ১৩ রান। দলের জয় নিশ্চিত করার পথে এই ডানহাতি খেলেন ১৫ বলে ২১ রানের ইনিংস।

বল হাতে গাজী গ্রুপের মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ ও মমিনুল হক ১টি করে উইকেট নেন। বাকি উইকেট মাহমুদউল্লাহর।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। এরপর অলক কাপালি, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলামদের বোলিং তোপের মুখে গাজী গ্রুপের ব্যাটসম্যানরা ঠিকভাবে দাঁড়াতেই পারেননি।

ব্যাট হাতে গাজী গ্রুপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ওপেনার মেহেদি হাসান। ৩১ বলে ৩৩ রান করেছেন তিনি। এছাড়া আরিফুল হকের ব্যাট থেকে ২৮ বলে ৩১ রান এবং আকবর আলী করেন ২২ বলে ২৪ রান।

বল হাতে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ১৬ রান খরচে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন কাপালি। রুবেল মিয়া সমান ওভারে ১৮ রান খরচে নিয়েছেন ১ উইকেট। এছাড়া শরিফুল ২টি এবং রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান ১টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন।

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের অলক কাপালি। তার দলও আছে সুপার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে।