ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মার্কিন সেনাদের অবর্তমানে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষার অজুহাতে দেশটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া।

রুশ প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জামির কাবুলোভ বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে তুরস্কের সেনা মোতায়েন তালেবানের সঙ্গে করা চুক্তির পরিপন্থি।

তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে আমেরিকার পরাজয় হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মার্কিন সেনারা চলে যাওয়ার পর তুর্কি সেনা মোতায়েন রেখে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষা করা যাবে না।

এদিকে তুর্কি সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তালেবানও। তারা বলেছে, তুরস্ক গত ২০ বছর ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রেখেছে এবং এখন সময় এসেছে তাদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার।

সম্প্রতি ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর দেশটিতে পশ্চিমা কূটনীতিকদের যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাবুল বিমানবন্দরে তুর্কি সেনা মোতায়েন থাকবে। কাবুলে মোতায়েন এসব সেনার খরচ বহন করবে ন্যাটো।

আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা কয়েকবার পরিবর্তন করার পর অবশেষে চলতি বছর ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিতে সম্মত হয়েছে।

আফগানিস্তান থেকে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা এমন সময় চলে যাচ্ছে যখন তারা গত ২০ বছরে আফগানিস্তানের নিরপরাধ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, দেশটির অবকাঠামো ধ্বংস এবং মাদক উৎপাদন বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনও উপকার করতে পারেনি।

আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো ২০০১ সালে সন্ত্রাসবাদ দমন ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষার অজুহাতে দেশটি দখল করে নেয়। কিন্তু সে ঘটনার ২০ বছর পরও দেখা যাচ্ছে, আফগানিস্তানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং সন্ত্রাসবাদও আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মার্কিন সেনাদের অবর্তমানে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া

আপডেট সময় ০১:২৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষার অজুহাতে দেশটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া।

রুশ প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জামির কাবুলোভ বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে তুরস্কের সেনা মোতায়েন তালেবানের সঙ্গে করা চুক্তির পরিপন্থি।

তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে আমেরিকার পরাজয় হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মার্কিন সেনারা চলে যাওয়ার পর তুর্কি সেনা মোতায়েন রেখে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষা করা যাবে না।

এদিকে তুর্কি সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তালেবানও। তারা বলেছে, তুরস্ক গত ২০ বছর ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রেখেছে এবং এখন সময় এসেছে তাদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার।

সম্প্রতি ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর দেশটিতে পশ্চিমা কূটনীতিকদের যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাবুল বিমানবন্দরে তুর্কি সেনা মোতায়েন থাকবে। কাবুলে মোতায়েন এসব সেনার খরচ বহন করবে ন্যাটো।

আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা কয়েকবার পরিবর্তন করার পর অবশেষে চলতি বছর ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিতে সম্মত হয়েছে।

আফগানিস্তান থেকে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা এমন সময় চলে যাচ্ছে যখন তারা গত ২০ বছরে আফগানিস্তানের নিরপরাধ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, দেশটির অবকাঠামো ধ্বংস এবং মাদক উৎপাদন বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনও উপকার করতে পারেনি।

আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো ২০০১ সালে সন্ত্রাসবাদ দমন ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষার অজুহাতে দেশটি দখল করে নেয়। কিন্তু সে ঘটনার ২০ বছর পরও দেখা যাচ্ছে, আফগানিস্তানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং সন্ত্রাসবাদও আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।