ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সাংবাদিকের যে প্রশ্নে হঠাৎ মেজাজ হারালেন বাইডেন, অতঃপর ক্ষমাও চাইলেন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বুধবার ঐতিহাসিক এক বৈঠকে মিলিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কয়েক ঘণ্টার বৈঠক শেষে বাইডেন যখন বেরিয়ে যান তখন সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি কেইটলান কলিন্স একটি প্রশ্ন করেন। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে বসেন বাইডেন।

বাইডেনকে কেইটলান কলিন্সের প্রশ্ন ছিল, “আপনি কেন এত আত্মবিশ্বাসী যে বৈঠকের পরই পুতিন তার আচরণ পরিবর্তন করে ফেলবেন।”
প্রশ্ন শুনেই দাঁড়িয়ে যান বাইডেন। রেগে গিয়ে আঙ্গুল তুলে কথা বলতে বলতে এগিয়ে যান সাংবাদিকদের দিকে। বাইডেন বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী নই যে তিনি (পুতিন) তার আচরণ পরিবর্তন করবেন। কোথায় পেলেন এটা-আপনারা সব সময় কীসব প্রশ্ন করেন? আমি কখন বলেছি যে আমি আত্মবিশ্বাসী?”

তিনি বলেন, “আমি যা বলেছি তা হল- সহজ করে বুঝুন- আমি বলেছি, “পৃথিবীর বাকী অংশ যদি তাদের প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং এটি বিশ্বে তাদের অবস্থানকে হ্রাস করে তবে তাদের আচরণের পরিবর্তন হবে।”

বাইডেন আরও বলেন, “আমি কোনও কিছুর বিষয়েই আত্মবিশ্বাসী নই। আমি কেবল বাস্তব কথাটা বলেছি।”

তবে এই ঘটনার জন্য ওই সাংবাদিকের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

জেনেভার ত্যাগের প্রাক্কালে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানে’ ওঠার আগে তিনি সাংবাদিকদের দিকে এগিয়ে যান এবং ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিক কেইটলান কলিন্সের নাম উল্লেখ করে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন।

তবে তিনি এও বলেন, “সাংবাদিকরা কখনই তাকে ইতিবাচক প্রশ্ন করেন না।”

বাইডেন বলেন, “আমার কাছে মনে হয়- একজন ভাল সাংবাদিক হওয়ার জন্য আপনাদের নেতিবাচক হতে হয়। আর এ কারণেই জীবন সম্পর্কে আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গিও নেতিবাচক হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সাংবাদিকের যে প্রশ্নে হঠাৎ মেজাজ হারালেন বাইডেন, অতঃপর ক্ষমাও চাইলেন

আপডেট সময় ০৬:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বুধবার ঐতিহাসিক এক বৈঠকে মিলিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কয়েক ঘণ্টার বৈঠক শেষে বাইডেন যখন বেরিয়ে যান তখন সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি কেইটলান কলিন্স একটি প্রশ্ন করেন। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে বসেন বাইডেন।

বাইডেনকে কেইটলান কলিন্সের প্রশ্ন ছিল, “আপনি কেন এত আত্মবিশ্বাসী যে বৈঠকের পরই পুতিন তার আচরণ পরিবর্তন করে ফেলবেন।”
প্রশ্ন শুনেই দাঁড়িয়ে যান বাইডেন। রেগে গিয়ে আঙ্গুল তুলে কথা বলতে বলতে এগিয়ে যান সাংবাদিকদের দিকে। বাইডেন বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী নই যে তিনি (পুতিন) তার আচরণ পরিবর্তন করবেন। কোথায় পেলেন এটা-আপনারা সব সময় কীসব প্রশ্ন করেন? আমি কখন বলেছি যে আমি আত্মবিশ্বাসী?”

তিনি বলেন, “আমি যা বলেছি তা হল- সহজ করে বুঝুন- আমি বলেছি, “পৃথিবীর বাকী অংশ যদি তাদের প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং এটি বিশ্বে তাদের অবস্থানকে হ্রাস করে তবে তাদের আচরণের পরিবর্তন হবে।”

বাইডেন আরও বলেন, “আমি কোনও কিছুর বিষয়েই আত্মবিশ্বাসী নই। আমি কেবল বাস্তব কথাটা বলেছি।”

তবে এই ঘটনার জন্য ওই সাংবাদিকের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

জেনেভার ত্যাগের প্রাক্কালে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানে’ ওঠার আগে তিনি সাংবাদিকদের দিকে এগিয়ে যান এবং ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিক কেইটলান কলিন্সের নাম উল্লেখ করে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন।

তবে তিনি এও বলেন, “সাংবাদিকরা কখনই তাকে ইতিবাচক প্রশ্ন করেন না।”

বাইডেন বলেন, “আমার কাছে মনে হয়- একজন ভাল সাংবাদিক হওয়ার জন্য আপনাদের নেতিবাচক হতে হয়। আর এ কারণেই জীবন সম্পর্কে আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গিও নেতিবাচক হয়।