ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

সাংবাদিক রোজিনার মুক্তি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি মান্নার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা, পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে রোজিনা ইসলামকে মুক্তি দিয়ে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবৈধ ক্ষমতাসীন সরকার সবার কণ্ঠরোধ করতে চায়। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচকে এ বছরও আমরা এক ধাপ পিছিয়েছি। ১৮০টি দেশের মধ্যে আমাদের অবস্থান ১৫২তম। বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশে যে অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার সুযোগ নেই, এই ঘটনা আরেকবার সেটি মনে করিয়ে দিল। এই প্রতিকূলতার মধ্যেও রোজিনা ইসলাম যেভাবে সাহসিকতার সাথে সরকারের লুটপাট, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে যাচ্ছিলেন, তা এই ভোট ডাকাত স্বৈরাচার সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিচ্ছিল। তাই পরিকল্পিতভাবে তাকে আটকে রেখে, নির্যাতন করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। রোজিনা ইসলামের সহকর্মী সাংবাদিকেরা যেভাবে ঘটনার সাথে সাথে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ ব্রিফিং বয়কট করেছেন; আমি তাদের স্বাগত জানাই।

সরকার স্বেচ্ছাচারিতার সকল সীমা অতিক্রম করেছে। ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসে তারা বিরোধী রাজনীতিবিদসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের উপর দমন, পীড়ন, নির্যাতন চালাচ্ছে। তারা জনগণের কাছে কোন জবাবদিহিতার প্রয়োজন মনে করে না। সাংবাদিকদের উপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকার এবং সরকার দলীয় ক্যাডারদের নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই সামনে আসছে। থলের বেড়াল বেড়িয়ে আসার ভয়ে তারা সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত করেনি। কিছুদিন আগে সাংবাদিক কাজলের সাথে যে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তার উপর যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তা আমরা সবাই জানি।

এই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধই একমাত্র পথ। সাংবাদিকবৃন্দ এই ঘটনায় যে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

৮ দিনেই ৬০০ কোটির ক্লাবে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’

সাংবাদিক রোজিনার মুক্তি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি মান্নার

আপডেট সময় ০৫:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা, পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ তীব্র নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে রোজিনা ইসলামকে মুক্তি দিয়ে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবৈধ ক্ষমতাসীন সরকার সবার কণ্ঠরোধ করতে চায়। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচকে এ বছরও আমরা এক ধাপ পিছিয়েছি। ১৮০টি দেশের মধ্যে আমাদের অবস্থান ১৫২তম। বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশে যে অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার সুযোগ নেই, এই ঘটনা আরেকবার সেটি মনে করিয়ে দিল। এই প্রতিকূলতার মধ্যেও রোজিনা ইসলাম যেভাবে সাহসিকতার সাথে সরকারের লুটপাট, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনার বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে যাচ্ছিলেন, তা এই ভোট ডাকাত স্বৈরাচার সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিচ্ছিল। তাই পরিকল্পিতভাবে তাকে আটকে রেখে, নির্যাতন করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। রোজিনা ইসলামের সহকর্মী সাংবাদিকেরা যেভাবে ঘটনার সাথে সাথে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ ব্রিফিং বয়কট করেছেন; আমি তাদের স্বাগত জানাই।

সরকার স্বেচ্ছাচারিতার সকল সীমা অতিক্রম করেছে। ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসে তারা বিরোধী রাজনীতিবিদসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের উপর দমন, পীড়ন, নির্যাতন চালাচ্ছে। তারা জনগণের কাছে কোন জবাবদিহিতার প্রয়োজন মনে করে না। সাংবাদিকদের উপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকার এবং সরকার দলীয় ক্যাডারদের নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই সামনে আসছে। থলের বেড়াল বেড়িয়ে আসার ভয়ে তারা সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত করেনি। কিছুদিন আগে সাংবাদিক কাজলের সাথে যে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তার উপর যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তা আমরা সবাই জানি।

এই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধই একমাত্র পথ। সাংবাদিকবৃন্দ এই ঘটনায় যে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন তিনি।