ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন সেখানে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটে অপারেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া।

বৃহস্পতিবার দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তার কাছে এই সনদ হস্তান্তর করেন সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি।

মাসুক মিয়া ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের পর নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান এবং সফলভাবে সুদান সরকারের কাছে ক্যাম্প হস্তান্তর করেন। কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট প্রদান করেন।

সুদানে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদকে’ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এই কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সফলভাবে দায়িত্বপালন শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখ দেশে ফিরবেন।

মাসুক মিয়া জানান, ‘সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন যৌথভাবে শান্তিরক্ষায় কাজ করছে। বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এই মিশনে কাজ করার সৌভাগ্য হয় আমার। দায়িত্ব পালনকালে শান্তিরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয় এমন কাজ করার চেষ্টা করেছি যার স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে এই ‘প্রশংসা সনদ’ দেওয়া হয়েছে।’

প্রশংসা সনদ পাওয়ার দিনটিকে অত্যন্ত আনন্দের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌‌”একজন শান্তিরক্ষী হিসেবে মিশনে অনেক প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এই সনদ প্রাপ্তি আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। এরকম ‘প্রশংসা সনদ’ মিশনে কর্মরত অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করি।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

আপডেট সময় ০৯:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন সেখানে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটে অপারেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া।

বৃহস্পতিবার দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তার কাছে এই সনদ হস্তান্তর করেন সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি।

মাসুক মিয়া ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের পর নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান এবং সফলভাবে সুদান সরকারের কাছে ক্যাম্প হস্তান্তর করেন। কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট প্রদান করেন।

সুদানে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদকে’ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এই কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সফলভাবে দায়িত্বপালন শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখ দেশে ফিরবেন।

মাসুক মিয়া জানান, ‘সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন যৌথভাবে শান্তিরক্ষায় কাজ করছে। বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এই মিশনে কাজ করার সৌভাগ্য হয় আমার। দায়িত্ব পালনকালে শান্তিরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয় এমন কাজ করার চেষ্টা করেছি যার স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে এই ‘প্রশংসা সনদ’ দেওয়া হয়েছে।’

প্রশংসা সনদ পাওয়ার দিনটিকে অত্যন্ত আনন্দের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌‌”একজন শান্তিরক্ষী হিসেবে মিশনে অনেক প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এই সনদ প্রাপ্তি আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। এরকম ‘প্রশংসা সনদ’ মিশনে কর্মরত অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করি।”