ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিয়ার বীর উত্তম খেতাব বাতিলে জামুকার তিন সদস্যের কমিটি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। যার প্রধান হিসেবে রয়েছেন জামুকার সদস্য ও সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন৷ কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন সংসদ সদস্য শাজাহান খান ও মো. রশিদুল আলম। তারাও জামুকার সদস্য।

কমিটির প্রধান মোশাররফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান সরাসরি বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তি খেতাবধারী থাকবেন, তা তো মেনে নেওয়া যায় না। এ জন্যই তার রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত তো হয়েই আছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি জামুকার সভায় জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বীর উত্তম’ বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরীফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের কারণ হিসেবে জামুকা বলছে, তিনি সংবিধান লঙ্ঘন, সংবিধানের মূলনীতি বাতিল, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের মদদ দেওয়া ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা, মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বাধীনতাবিরোধী লোকজন নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জিয়ার বীর উত্তম খেতাব বাতিলে জামুকার তিন সদস্যের কমিটি

আপডেট সময় ১২:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। যার প্রধান হিসেবে রয়েছেন জামুকার সদস্য ও সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন৷ কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন সংসদ সদস্য শাজাহান খান ও মো. রশিদুল আলম। তারাও জামুকার সদস্য।

কমিটির প্রধান মোশাররফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান সরাসরি বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তি খেতাবধারী থাকবেন, তা তো মেনে নেওয়া যায় না। এ জন্যই তার রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত তো হয়েই আছে, এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি জামুকার সভায় জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বীর উত্তম’ বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরীফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের কারণ হিসেবে জামুকা বলছে, তিনি সংবিধান লঙ্ঘন, সংবিধানের মূলনীতি বাতিল, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের মদদ দেওয়া ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা, মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বাধীনতাবিরোধী লোকজন নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন৷