ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

একদফায় বাড়ল ৩ কোটি ডলার ঋণের সময়সীমা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তাদের এক দফায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার সময়সীমা আরও ছয় মাস (৩০ জুন পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে এ সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রফতানি বাণিজ্যে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তা সহায়তা হিসাবে এ সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।

এটি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জানানোর জন্য সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, এক দফায় ইডিএফ তহবিল থেকে ঋণ নেওয়ার সীমা মে মাসে ৫০ লাখ ডলার বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার করা হয়। এর আগে নিতে পারতেন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাড়তি কোটায় ঋণ নেওয়ার সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যরা রফতানি উন্নয়ন তহবিল থেকে এ বাড়তি ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। অন্য রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে আগের ঋণসীমা বহাল থাকবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ খাতের উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৩ মাস ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পর জুন থেকে সীমিত আকারে চালু হয়। এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কাছে নতুন রপ্তানির কার্যাদেশ আসতে শুরু করে। ফলে রপ্তানিপণ্য তৈরিতে কাঁচামাল আমদানি করতে বেশি অর্থের প্রয়োজন পড়ে। এজন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে হয়। বড় আকারে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে উদ্যোক্তাদের অর্থের সংকট রয়েছে। এ কারণে এর সীমা ও কোটা বাড়ানো হয়েছে।

ওই তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে তা দিয়ে পণ্য তৈরির পর তা রফতানি করা হয়। রফতানির বিল দেশে এলে ঋণ সমন্বয় করে বাড়তি অর্থ উদ্যোক্তারা অন্য খাতে ব্যয় করেন। করোনার প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তাদের এ তহবিল থেকে বেশি পরিমাণে ঋণের জোগান দিতে এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংক এর আকার আরও ১৫০ কোটি ডলার বাড়িয়েছে।

আগে এর আকার ছিল ৩৫০ কোটি ডলার। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। এ তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার সুদের হার দুই দফায় কমিয়ে এখন ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। এপ্রিলে ২ শতাংশ করা হয়। এর আগে সুদের হার ছিল পৌনে ৩ থেকে সোয়া ৩ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

একদফায় বাড়ল ৩ কোটি ডলার ঋণের সময়সীমা

আপডেট সময় ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তাদের এক দফায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার সময়সীমা আরও ছয় মাস (৩০ জুন পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে এ সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রফতানি বাণিজ্যে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তা সহায়তা হিসাবে এ সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।

এটি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জানানোর জন্য সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, এক দফায় ইডিএফ তহবিল থেকে ঋণ নেওয়ার সীমা মে মাসে ৫০ লাখ ডলার বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার করা হয়। এর আগে নিতে পারতেন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাড়তি কোটায় ঋণ নেওয়ার সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যরা রফতানি উন্নয়ন তহবিল থেকে এ বাড়তি ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। অন্য রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে আগের ঋণসীমা বহাল থাকবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ খাতের উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৩ মাস ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পর জুন থেকে সীমিত আকারে চালু হয়। এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কাছে নতুন রপ্তানির কার্যাদেশ আসতে শুরু করে। ফলে রপ্তানিপণ্য তৈরিতে কাঁচামাল আমদানি করতে বেশি অর্থের প্রয়োজন পড়ে। এজন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে হয়। বড় আকারে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে উদ্যোক্তাদের অর্থের সংকট রয়েছে। এ কারণে এর সীমা ও কোটা বাড়ানো হয়েছে।

ওই তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে তা দিয়ে পণ্য তৈরির পর তা রফতানি করা হয়। রফতানির বিল দেশে এলে ঋণ সমন্বয় করে বাড়তি অর্থ উদ্যোক্তারা অন্য খাতে ব্যয় করেন। করোনার প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তাদের এ তহবিল থেকে বেশি পরিমাণে ঋণের জোগান দিতে এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংক এর আকার আরও ১৫০ কোটি ডলার বাড়িয়েছে।

আগে এর আকার ছিল ৩৫০ কোটি ডলার। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। এ তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার সুদের হার দুই দফায় কমিয়ে এখন ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ করা হয়েছে। এপ্রিলে ২ শতাংশ করা হয়। এর আগে সুদের হার ছিল পৌনে ৩ থেকে সোয়া ৩ শতাংশ।