ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জোড়া মাথার মেয়ে শিশুর জন্ম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাগুরায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে জোড়া মাথা বিশিষ্ট একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ভূমিষ্ঠ এই শিশুটিকে সন্ধ্যায় মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুটির শরীরে দুটি মাথা থাকলেও একজোড়া করে হাত এবং পা। হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকা শিশুটি সুস্থ রয়েছে। তবে চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণের জন্যে খুব শিগগিরই তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অমর প্রসাদ বিশ্বাস জানান, মাগুরার সদর উপজেলার জগদল গ্রামের দমদমা পাড়ার নির্মাণ শ্রমিক পলাশ হাসানের স্ত্রী সোনালি বেগম (৩০) সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম দেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভূমিষ্ঠ শিশুটির মাথা দুটি সক্রিয় রয়েছে। কান্নাকাটিও করছে। আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও শ্বাসকষ্ট রয়েছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার জন্যে শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শিশুটির বাবা পলাশ হাসান জানান, মাগুরা শহরের মা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। সেখানে ডাক্তার মাসুদুল হক সিজার করার পর দেখা যায় শিশুটি স্বাভাবিক নয়। যে কারণে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিকাল ৫টার দিকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত কুণ্ডু অনুপস্থিত থাকায় ইন্টার্ন চিকিৎসক সুকমল হালদার তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। এখন তাদের ওপরই সব নির্ভর করছে। তারা এখানে চিকিৎসা না করলে যেখানে যেতে বলেন নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান শিশুটির বাবা।

৮ বছর আগে পলাশ হাসান সোনালি বেগমকে বিয়ে করেন। ৬ বছর আগে তাদের প্রথম একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তামিম নামের ওই শিশুটি অন্যান্য শিশুদের মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

জোড়া মাথার মেয়ে শিশুর জন্ম

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাগুরায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে জোড়া মাথা বিশিষ্ট একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ভূমিষ্ঠ এই শিশুটিকে সন্ধ্যায় মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুটির শরীরে দুটি মাথা থাকলেও একজোড়া করে হাত এবং পা। হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকা শিশুটি সুস্থ রয়েছে। তবে চিকিৎসা এবং পর্যবেক্ষণের জন্যে খুব শিগগিরই তাকে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অমর প্রসাদ বিশ্বাস জানান, মাগুরার সদর উপজেলার জগদল গ্রামের দমদমা পাড়ার নির্মাণ শ্রমিক পলাশ হাসানের স্ত্রী সোনালি বেগম (৩০) সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম দেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভূমিষ্ঠ শিশুটির মাথা দুটি সক্রিয় রয়েছে। কান্নাকাটিও করছে। আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মনে হলেও শ্বাসকষ্ট রয়েছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসার জন্যে শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শিশুটির বাবা পলাশ হাসান জানান, মাগুরা শহরের মা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। সেখানে ডাক্তার মাসুদুল হক সিজার করার পর দেখা যায় শিশুটি স্বাভাবিক নয়। যে কারণে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিকাল ৫টার দিকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত কুণ্ডু অনুপস্থিত থাকায় ইন্টার্ন চিকিৎসক সুকমল হালদার তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। এখন তাদের ওপরই সব নির্ভর করছে। তারা এখানে চিকিৎসা না করলে যেখানে যেতে বলেন নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান শিশুটির বাবা।

৮ বছর আগে পলাশ হাসান সোনালি বেগমকে বিয়ে করেন। ৬ বছর আগে তাদের প্রথম একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তামিম নামের ওই শিশুটি অন্যান্য শিশুদের মতো সুস্থ এবং স্বাভাবিক।