ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

করোনায় অভিবাসী মৃত্যুতে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৬টি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭০ হাজার জন মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩৮০ জন অভিবাসী।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২ হাজার ৩৩০ জনের বেশি বাংলাদেশী কর্মী করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২০’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, এর মধ্যে সৌদি আরবেই মৃত্যু হয়েছে ৯৮৯ অভিবাসীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বাংলাদেশী কর্মীদের মৃত্যুর হার বেশি। গত জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। তাদের মাঝে ১২২ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া কুয়েতে কভিড-১৯-এর কারণে মৃতের সংখ্যা ৩৮২। তাদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৬০ বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।

আরও জানানো হয়, যেকোনো মহামারী পরিস্থিতিতে অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকেন। ১৯৩০-এর বিশ্বমন্দা, ১৯৭৩-এর জ্বালানি তেল সংকট, ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট বা ২০০৯-১০ সালের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময় অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ সালের কভিড-১৯ সংকটেও সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে ছিলেন অভিবাসী শ্রমিকরা। অভিবাসনের গন্তব্য দেশগুলো অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের তুলনায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুও অনেক বেশি।

সিঙ্গাপুরেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার দিক থেকে প্রথম সারিতে বাংলাদেশি অভিবাসী। গত ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার, যা দেশটিতে বসবাসরত মোট অভিবাসী শ্রমিকের ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার। সে হিসেবে সিঙ্গাপুরে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি অভিবাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলে গেলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী, শোকের ছায়া শিল্পাঙ্গনে

করোনায় অভিবাসী মৃত্যুতে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৬টি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৭০ হাজার জন মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩৮০ জন অভিবাসী।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২ হাজার ৩৩০ জনের বেশি বাংলাদেশী কর্মী করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২০’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, এর মধ্যে সৌদি আরবেই মৃত্যু হয়েছে ৯৮৯ অভিবাসীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বাংলাদেশী কর্মীদের মৃত্যুর হার বেশি। গত জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩২৮ জনের। তাদের মাঝে ১২২ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া কুয়েতে কভিড-১৯-এর কারণে মৃতের সংখ্যা ৩৮২। তাদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৬০ বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।

আরও জানানো হয়, যেকোনো মহামারী পরিস্থিতিতে অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকেন। ১৯৩০-এর বিশ্বমন্দা, ১৯৭৩-এর জ্বালানি তেল সংকট, ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট বা ২০০৯-১০ সালের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময় অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি কষ্টকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ সালের কভিড-১৯ সংকটেও সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে ছিলেন অভিবাসী শ্রমিকরা। অভিবাসনের গন্তব্য দেশগুলো অন্যান্য দেশ থেকে আগতদের তুলনায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুও অনেক বেশি।

সিঙ্গাপুরেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার দিক থেকে প্রথম সারিতে বাংলাদেশি অভিবাসী। গত ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার, যা দেশটিতে বসবাসরত মোট অভিবাসী শ্রমিকের ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার। সে হিসেবে সিঙ্গাপুরে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত অভিবাসী শ্রমিকের ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি অভিবাসী।