ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

জয়পুরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় চুরমার বাস, নিহত ১২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জয়পুরহাট জেলায় ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ১২ যাত্রী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত আর তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হতাহতরা সবাই বাসের যাত্রী। দুর্ঘটনার সময় রেলক্রসিংয়ের গেট খোলা ছিল এবং সংশ্লিষ্ট গেটম্যান ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর থেকে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার জন্য উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে গেছে। চেষ্টা চলছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রেন অপসারণের।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক জানান, পুরানাপৈল রেলগেটের গেটম্যান তার দায়িত্ব পালন না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের দাফনসহ সার্বিক খরচ বহন করা হবে। দুর্ঘটনার পর থেকে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। চেষ্টা চলছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রেন অপসারণের।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, সদর উপজেলার পুরানাপৈল রেলগেটে সকালে রাজশাহীগামী উত্তরা এক্সপ্রেস ট্রেন বাসটিকে ধাক্কা দেয়। বাসটিকে দুমড়ে-মুচড়ে ট্রেনটি রেললাইনের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ৫ জন। আহতদের প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শজিমেক হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। সেখানে এখন আরও ৩ জন চিকিৎসাধীন।

নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের আলতাফ হোসেনে ছেলে সরোয়ার হোসেন (৩৫) এবং তার ছোট ভাই আরিফুজ্জামান রাব্বী (২৫)।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সালাম কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন চন্দ্র রায় এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জয়পুরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় চুরমার বাস, নিহত ১২

আপডেট সময় ০২:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

জয়পুরহাট জেলায় ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ১২ যাত্রী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত আর তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হতাহতরা সবাই বাসের যাত্রী। দুর্ঘটনার সময় রেলক্রসিংয়ের গেট খোলা ছিল এবং সংশ্লিষ্ট গেটম্যান ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর থেকে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার জন্য উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে গেছে। চেষ্টা চলছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রেন অপসারণের।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক জানান, পুরানাপৈল রেলগেটের গেটম্যান তার দায়িত্ব পালন না করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের দাফনসহ সার্বিক খরচ বহন করা হবে। দুর্ঘটনার পর থেকে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। চেষ্টা চলছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রেন অপসারণের।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, সদর উপজেলার পুরানাপৈল রেলগেটে সকালে রাজশাহীগামী উত্তরা এক্সপ্রেস ট্রেন বাসটিকে ধাক্কা দেয়। বাসটিকে দুমড়ে-মুচড়ে ট্রেনটি রেললাইনের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ৫ জন। আহতদের প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শজিমেক হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। সেখানে এখন আরও ৩ জন চিকিৎসাধীন।

নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের আলতাফ হোসেনে ছেলে সরোয়ার হোসেন (৩৫) এবং তার ছোট ভাই আরিফুজ্জামান রাব্বী (২৫)।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সালাম কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন চন্দ্র রায় এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট।