ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

কে হচ্ছেন হেফাজতের মহাসচিব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন তা নিয়ে সরগরম কওমি মতাদর্শীরা। প্রাথমিকভাবে পাঁচজন আলোচনায় থাকলেও চমক হিসেবে মহাসচিব পদে আসতে পারেন আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী নেতাদের কেউ। হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেলেও সব প্রশ্নের সমাধান হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। ওই সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা বসে নির্ধারণ করবেন নতুন মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমানী বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের জন্য বসবেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচনের পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জানা যায়, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুর পর নতুন মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে ফের সংকট সৃষ্টি হয়েছে আলোচিত এ সংগঠনে। আল্লামা কাসেমীর মৃত্যুর দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারীরা। তারা মাওলানা মামুনুলের পক্ষে পোস্ট করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। যদিও ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য নিয়ে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন মামুনুল হক। এর জের ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামুনুল হকসহ কওমি মতাদর্শীদের ওয়াজ মাহফিল প্রতিহতও করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতৃত্বের একটি অংশ মামুনুল হকের মতো আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেওয়া কাউকে মূল নেতৃত্বে আনতে চান না। তাই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এমন কাউকে নেতৃত্বে আনতে চাইছেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ ক্ষেত্রে মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, বেফাক মহাসচিব ও নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

মাওলানা কাসেমী-পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন হাটহাজারীতে বৈঠকে বসছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচন ও হেফাজতে ইসলামের কমিটি সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের একাধিক সূত্র জানায়, হেফাজতে ইসলামের সর্বশেষ কমিটিতে আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী হিসেবে বাদ পড়া নেতাদের ফের নেতৃত্বে আনা হচ্ছে। তাই হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে ২০১ সদস্যবিশিষ্ট করা হচ্ছে। কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হচ্ছে আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী কয়েকজন নেতাকে। এমনকি আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী নেতাদের মধ্য থেকে নতুন মহাসচিব করার ভাবনা ভাবছেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতাদের কেউ কেউ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

কে হচ্ছেন হেফাজতের মহাসচিব

আপডেট সময় ০১:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন তা নিয়ে সরগরম কওমি মতাদর্শীরা। প্রাথমিকভাবে পাঁচজন আলোচনায় থাকলেও চমক হিসেবে মহাসচিব পদে আসতে পারেন আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী নেতাদের কেউ। হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেলেও সব প্রশ্নের সমাধান হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। ওই সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা বসে নির্ধারণ করবেন নতুন মহাসচিব।

হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমানী বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে হেফাজতে ইসলামের নতুন মহাসচিব নির্বাচনের জন্য বসবেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচনের পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জানা যায়, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুর পর নতুন মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে ফের সংকট সৃষ্টি হয়েছে আলোচিত এ সংগঠনে। আল্লামা কাসেমীর মৃত্যুর দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারীরা। তারা মাওলানা মামুনুলের পক্ষে পোস্ট করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। যদিও ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য নিয়ে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন মামুনুল হক। এর জের ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামুনুল হকসহ কওমি মতাদর্শীদের ওয়াজ মাহফিল প্রতিহতও করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতৃত্বের একটি অংশ মামুনুল হকের মতো আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেওয়া কাউকে মূল নেতৃত্বে আনতে চান না। তাই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এমন কাউকে নেতৃত্বে আনতে চাইছেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ ক্ষেত্রে মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, বেফাক মহাসচিব ও নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক, হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী।

মাওলানা কাসেমী-পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন হাটহাজারীতে বৈঠকে বসছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। ওই বৈঠকে নতুন মহাসচিব নির্বাচন ও হেফাজতে ইসলামের কমিটি সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের একাধিক সূত্র জানায়, হেফাজতে ইসলামের সর্বশেষ কমিটিতে আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী হিসেবে বাদ পড়া নেতাদের ফের নেতৃত্বে আনা হচ্ছে। তাই হেফাজতে ইসলামের বর্তমান কমিটিকে ২০১ সদস্যবিশিষ্ট করা হচ্ছে। কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হচ্ছে আল্লামা আহমদ শফী অনুসারী কয়েকজন নেতাকে। এমনকি আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারী নেতাদের মধ্য থেকে নতুন মহাসচিব করার ভাবনা ভাবছেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নেতাদের কেউ কেউ।