ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

খুলনাকে হারিয়ে শেষ চারে ঢাকা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

জেমকন খুলনাকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। যদিও আগেই সেমিফাইনাল আগেই নিশ্চিত করেছে জেমকন খুলনা। ঢাকার দেয়া ১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে গেছে খুলনা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করে ঢাকা। খুলনার হয়ে রান তাড়া করতে নামেন জহুরুল ইসলাম অমি ও জাকির হাসান। শুরুতেই জাকিরকে হারায় খুলনা। তিনে নামা সাকিব আল হাসানও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী থেকেছেন।

দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন অমি ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ব্যক্তিগত ২৩ রানে রিয়াদ আউট হওয়ার পর ধস নামে খুলনা শিবিরে। অমি ফেরেন ৫৩ রানে। শামিম হোসেনের ২৩ রান হারের ব্যবধানই কমিয়েছে শুধু।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কোটার ৩ বল বাকি থাকতে অল আউট হয় খুলনা। ঢাকার হয়ে একাই ৫ উইকেট শিকার করেছেন রবিউল ইসলাম রবি। এছাড়া রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ঢাকার হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন নাঈম শেখ ও সাব্বির রহমান। শুরুতেই ঝড় তোলেন নাঈম। সাকিব আল হাসানের এক ওভারে চার ছক্কা মারেন তিনি।

সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ বলে ৩৬ রান করেন নাঈম। তিনে নামা আল আমিনও করেন ৩৬। তবে এরপর হঠাৎ করেই ঢাকার ইনিংস ধস নামে। মুশফিকুর রহিম ৩ ও ইয়াসির আলী রাব্বি আউট হন ০ রানে।

এরপর সাব্বিরের সঙ্গে দলের হাল ধরেন আকবর আলী। সাব্বির তুলে নেন চলতি আসরে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। তিনি ৫৬ ও আকবর ৩১ রান করেন। এরপর ঢাকার আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৭৯ রানে থামে দলটির ইনিংস।

খুলনার হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন শহিদুল ইসলাম। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম অপু ও হাসান মাহমুদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

খুলনাকে হারিয়ে শেষ চারে ঢাকা

আপডেট সময় ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

জেমকন খুলনাকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। যদিও আগেই সেমিফাইনাল আগেই নিশ্চিত করেছে জেমকন খুলনা। ঢাকার দেয়া ১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে গেছে খুলনা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করে ঢাকা। খুলনার হয়ে রান তাড়া করতে নামেন জহুরুল ইসলাম অমি ও জাকির হাসান। শুরুতেই জাকিরকে হারায় খুলনা। তিনে নামা সাকিব আল হাসানও ব্যাট হাতে ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী থেকেছেন।

দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন অমি ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ব্যক্তিগত ২৩ রানে রিয়াদ আউট হওয়ার পর ধস নামে খুলনা শিবিরে। অমি ফেরেন ৫৩ রানে। শামিম হোসেনের ২৩ রান হারের ব্যবধানই কমিয়েছে শুধু।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কোটার ৩ বল বাকি থাকতে অল আউট হয় খুলনা। ঢাকার হয়ে একাই ৫ উইকেট শিকার করেছেন রবিউল ইসলাম রবি। এছাড়া রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ঢাকার হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন নাঈম শেখ ও সাব্বির রহমান। শুরুতেই ঝড় তোলেন নাঈম। সাকিব আল হাসানের এক ওভারে চার ছক্কা মারেন তিনি।

সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ বলে ৩৬ রান করেন নাঈম। তিনে নামা আল আমিনও করেন ৩৬। তবে এরপর হঠাৎ করেই ঢাকার ইনিংস ধস নামে। মুশফিকুর রহিম ৩ ও ইয়াসির আলী রাব্বি আউট হন ০ রানে।

এরপর সাব্বিরের সঙ্গে দলের হাল ধরেন আকবর আলী। সাব্বির তুলে নেন চলতি আসরে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। তিনি ৫৬ ও আকবর ৩১ রান করেন। এরপর ঢাকার আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৭৯ রানে থামে দলটির ইনিংস।

খুলনার হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন শহিদুল ইসলাম। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম অপু ও হাসান মাহমুদ।