ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি। সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের রূপকল্প ২০৪১ সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান রূপকল্প।

এক. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি।

দুই. সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ মোট চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। ওই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথমটি হলো— অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যসমূহ, টেকসই উন্নয়নের অভীষ্টের লক্ষ্যসমূহ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কতিপয় কার্যকরী কৌশলেরও সুপারিশ করা হবে। কাউকে পেছনে ফেলে নয় বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন—এ পরিকল্পনার মূলমন্ত্র। অষ্টম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় যে দুটি মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো—

এক. ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি ও সর্বাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

দুই. অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।

শেখ হাসিনা বলেন, বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২০২৫ সাল নাগাদ ৮ দশমিক ৫১ শতাংশে উন্নীত করা এবং প্রবৃদ্ধির সুবিধাগুলো কীভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছানো যায় তার সুপারিশ করা হবে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং উত্তম আয় বণ্টন দারিদ্র্য হ্রাসের গতি বাড়াবে। প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তির উন্নতি এবং সরকারি নীতি, প্রতিষ্ঠান, কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে, যা আয় বৈষম্য কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে এখন ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের কদর বাড়ছে

দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি। সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের রূপকল্প ২০৪১ সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান রূপকল্প।

এক. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি।

দুই. সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ মোট চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। ওই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথমটি হলো— অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যসমূহ, টেকসই উন্নয়নের অভীষ্টের লক্ষ্যসমূহ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কতিপয় কার্যকরী কৌশলেরও সুপারিশ করা হবে। কাউকে পেছনে ফেলে নয় বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন—এ পরিকল্পনার মূলমন্ত্র। অষ্টম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় যে দুটি মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো—

এক. ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি ও সর্বাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

দুই. অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।

শেখ হাসিনা বলেন, বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২০২৫ সাল নাগাদ ৮ দশমিক ৫১ শতাংশে উন্নীত করা এবং প্রবৃদ্ধির সুবিধাগুলো কীভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছানো যায় তার সুপারিশ করা হবে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং উত্তম আয় বণ্টন দারিদ্র্য হ্রাসের গতি বাড়াবে। প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তির উন্নতি এবং সরকারি নীতি, প্রতিষ্ঠান, কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে, যা আয় বৈষম্য কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।