ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বার্ন ইনস্টিটিউটে ই-টিকিটিং সিস্টেম চালু, থাকছে যেসব সুবিধা একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: সার্জিও গর বগুড়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ ‘জৈন্তাপুরে পাটওয়ারীর গাড়িবহরকে কড়া নিরাপত্তায় সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়’ — হামলার দাবি নাকচ ওসির স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ রাশিয়ায় তৈরি ক্যানসারের টিকা প্রথম রোগীর শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করছে দক্ষিণ আফ্রিকায় বরিশালের আসাদুজ্জামানের মৃত্যু ধর্ম-বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী ফ্যাসিবাদকে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ফিটনেসবিহীন যানবাহন বন্ধের হুঁশিয়ারি ডিএনসিসি প্রশাসকের

দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি। সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের রূপকল্প ২০৪১ সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান রূপকল্প।

এক. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি।

দুই. সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ মোট চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। ওই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথমটি হলো— অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যসমূহ, টেকসই উন্নয়নের অভীষ্টের লক্ষ্যসমূহ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কতিপয় কার্যকরী কৌশলেরও সুপারিশ করা হবে। কাউকে পেছনে ফেলে নয় বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন—এ পরিকল্পনার মূলমন্ত্র। অষ্টম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় যে দুটি মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো—

এক. ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি ও সর্বাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

দুই. অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।

শেখ হাসিনা বলেন, বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২০২৫ সাল নাগাদ ৮ দশমিক ৫১ শতাংশে উন্নীত করা এবং প্রবৃদ্ধির সুবিধাগুলো কীভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছানো যায় তার সুপারিশ করা হবে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং উত্তম আয় বণ্টন দারিদ্র্য হ্রাসের গতি বাড়াবে। প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তির উন্নতি এবং সরকারি নীতি, প্রতিষ্ঠান, কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে, যা আয় বৈষম্য কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বার্ন ইনস্টিটিউটে ই-টিকিটিং সিস্টেম চালু, থাকছে যেসব সুবিধা

দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি। সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের রূপকল্প ২০৪১ সামনে রেখে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান রূপকল্প।

এক. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২৫০০ ডলারের বেশি।

দুই. সোনার বাংলায় দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের কোনো বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ মোট চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। ওই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথমটি হলো— অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যসমূহ, টেকসই উন্নয়নের অভীষ্টের লক্ষ্যসমূহ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কতিপয় কার্যকরী কৌশলেরও সুপারিশ করা হবে। কাউকে পেছনে ফেলে নয় বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন—এ পরিকল্পনার মূলমন্ত্র। অষ্টম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় যে দুটি মূল বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো—

এক. ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি ও সর্বাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

দুই. অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।

শেখ হাসিনা বলেন, বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২০২৫ সাল নাগাদ ৮ দশমিক ৫১ শতাংশে উন্নীত করা এবং প্রবৃদ্ধির সুবিধাগুলো কীভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছানো যায় তার সুপারিশ করা হবে। উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং উত্তম আয় বণ্টন দারিদ্র্য হ্রাসের গতি বাড়াবে। প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তির উন্নতি এবং সরকারি নীতি, প্রতিষ্ঠান, কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে, যা আয় বৈষম্য কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।