ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

‘আজ্ঞাবহ ইসিকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ব্যর্থতায় সরকারের পাশাপাশি আজ্ঞাবহ প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশন ও প্রশাসনকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাদের ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে, দেশের মালিকানা কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে রাষ্ট্রীয় শক্তিগুলোকে দখলে নিয়ে দেশে মাস্তানতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই মাস্তানতন্ত্রের স্টেক হোল্ডারদের দিয়ে হুন্ডা-গুণ্ডা-ডাণ্ডার নির্বাচন করে পুরো জাতিকে অন্ধকারের অতল গহ্বরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবং গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে অন্যান্য নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনের মতোই জাতীয় সংসদের ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অতীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। তারপরেও নির্বাচনে যতটুকু স্পেস পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করে ভোটারদের সামনে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনাসহ নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে বিএনপি। এই সীমিত নির্বাচনী প্রচার অভিযানেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে হামলা চালিয়েছে এবং সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এলে তাদের ভরাডুবি হবে এই আশঙ্কায় ভীত হয়ে তারা নির্বাচনী সুষ্ঠু পরিবেশকে পুরোপুরি বিনষ্ট করে দিয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্র ধ্বংসকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা মনে করেন দেশবাসী সব বোকা আর তিনি খুব চতুর-চালাক। তিনি দেশের মানুষকে নির্বাচন নিয়ে জ্ঞান দেন, অংক শেখান! এই সকল ব্যাখ্যার জন্য সাধারণ মানুষ নুরুল হুদা সাহেব অনেক আগে থেকেই বিশ্বাস করে না। কারণ, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে তিনি পুরোপুরি কলুষিত করেছেন। নির্বাচনে ভোট কারচুপি এবং ব্যাপক সন্ত্রাস হলেও তিনি দ্বিধাহীনভাবে অতীতে বলেছেন-নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে। আর সন্ত্রাস বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তার নিলর্জ্জ জবাব ছিল- এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

প্রিন্স আরও বলেন, বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ শূন্য আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন দুটিতে ধানের শীষের ব্যাপক জোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ ভয়াবহ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, যাতে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস না পায়। সর্বমহলে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম এর মাধ্যমে আজ যে নির্বাচন হচ্ছে তাতে নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে সেটাই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন। কারণ, মানুষ ইভিএম পদ্ধতিকে প্রতারণার মেশিন বলেই মনে করে। আমরা আগেই বলেছি, ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে যা বোঝায় তা কিছুই ছিল না। ছিল শুধু সরকারি ক্ষমতার দাপট এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রশাসনের আজ্ঞাবহতা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

‘আজ্ঞাবহ ইসিকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে’

আপডেট সময় ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ব্যর্থতায় সরকারের পাশাপাশি আজ্ঞাবহ প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশন ও প্রশাসনকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাদের ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে, দেশের মালিকানা কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্র ও নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে রাষ্ট্রীয় শক্তিগুলোকে দখলে নিয়ে দেশে মাস্তানতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই মাস্তানতন্ত্রের স্টেক হোল্ডারদের দিয়ে হুন্ডা-গুণ্ডা-ডাণ্ডার নির্বাচন করে পুরো জাতিকে অন্ধকারের অতল গহ্বরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবং গণতন্ত্রের বৃহত্তর স্বার্থে অন্যান্য নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনের মতোই জাতীয় সংসদের ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অতীতে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। তারপরেও নির্বাচনে যতটুকু স্পেস পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করে ভোটারদের সামনে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনাসহ নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে বিএনপি। এই সীমিত নির্বাচনী প্রচার অভিযানেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে হামলা চালিয়েছে এবং সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এলে তাদের ভরাডুবি হবে এই আশঙ্কায় ভীত হয়ে তারা নির্বাচনী সুষ্ঠু পরিবেশকে পুরোপুরি বিনষ্ট করে দিয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্র ধ্বংসকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা মনে করেন দেশবাসী সব বোকা আর তিনি খুব চতুর-চালাক। তিনি দেশের মানুষকে নির্বাচন নিয়ে জ্ঞান দেন, অংক শেখান! এই সকল ব্যাখ্যার জন্য সাধারণ মানুষ নুরুল হুদা সাহেব অনেক আগে থেকেই বিশ্বাস করে না। কারণ, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে তিনি পুরোপুরি কলুষিত করেছেন। নির্বাচনে ভোট কারচুপি এবং ব্যাপক সন্ত্রাস হলেও তিনি দ্বিধাহীনভাবে অতীতে বলেছেন-নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে। আর সন্ত্রাস বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তার নিলর্জ্জ জবাব ছিল- এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

প্রিন্স আরও বলেন, বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ শূন্য আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন দুটিতে ধানের শীষের ব্যাপক জোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ ভয়াবহ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, যাতে সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস না পায়। সর্বমহলে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম এর মাধ্যমে আজ যে নির্বাচন হচ্ছে তাতে নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে সেটাই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন। কারণ, মানুষ ইভিএম পদ্ধতিকে প্রতারণার মেশিন বলেই মনে করে। আমরা আগেই বলেছি, ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে যা বোঝায় তা কিছুই ছিল না। ছিল শুধু সরকারি ক্ষমতার দাপট এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রশাসনের আজ্ঞাবহতা।