ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

২৮ বছর পর শুশা শহরে আজানের ধ্বনি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর শুশায় ২৮ বছর পর আজানের ধ্বনি শোনা গেছে। আজাইবাইজানের একজন সৈন্য সেখানকার বিখ্যাত ইউখারি গোভার আঘা মসজিদের মিনারে ওঠে আজান দিয়েছেন এমন একটি ভিডিও সামনে এসেছে।

সম্প্রতি শুশা শহরটি আজারবাইজানের নিয়ন্ত্রণে আসে। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আদাদোলু অ্যাজেন্সি জানায়, ১৯৯২ সালের ৮ মে আর্মেনিয়া সেনাবাহিনী শুশা অঞ্চলটি দখল করে নেয়। নাগোর্নো ও কারাবাখের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা শুশা। আন্তর্জাতিকভাবে এটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃতি ছিল।

গত ৮ নভেম্বর আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ঘোষণা দেন, শুশা নগর আর্মেনিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর শুশায় আজান শোনা যাবে।

গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হয়। চুক্তির পর ইলহাম আলিয়েভ জানান, কোনো রক্তপাত ছাড়াই আজারবাইজান তাদের নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চল ফেরত পাবে।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী ও আজারবাইজান সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। দুই দেশের সংঘাতের মূলে ছিল নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৮ বছর পর শুশা শহরে আজানের ধ্বনি

আপডেট সময় ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর শুশায় ২৮ বছর পর আজানের ধ্বনি শোনা গেছে। আজাইবাইজানের একজন সৈন্য সেখানকার বিখ্যাত ইউখারি গোভার আঘা মসজিদের মিনারে ওঠে আজান দিয়েছেন এমন একটি ভিডিও সামনে এসেছে।

সম্প্রতি শুশা শহরটি আজারবাইজানের নিয়ন্ত্রণে আসে। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আদাদোলু অ্যাজেন্সি জানায়, ১৯৯২ সালের ৮ মে আর্মেনিয়া সেনাবাহিনী শুশা অঞ্চলটি দখল করে নেয়। নাগোর্নো ও কারাবাখের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা শুশা। আন্তর্জাতিকভাবে এটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃতি ছিল।

গত ৮ নভেম্বর আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ঘোষণা দেন, শুশা নগর আর্মেনিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর শুশায় আজান শোনা যাবে।

গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হয়। চুক্তির পর ইলহাম আলিয়েভ জানান, কোনো রক্তপাত ছাড়াই আজারবাইজান তাদের নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চল ফেরত পাবে।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী ও আজারবাইজান সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। দুই দেশের সংঘাতের মূলে ছিল নাগোর্নো ও কারাবাখ অঞ্চল।