ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকার ভূমিকার প্রতি ইইউর একাত্মতা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রাখাইন পরিস্থিতির ওপর গতকাল ইইউর হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) ফেডিরিকা মোঘারিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সঙ্কট থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া উদ্বাস্তুদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে ইইউ একাত্মতা প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সব পক্ষের উত্তেজনা প্রশমন খুবই জরুরি, যাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

সহিংসতার শিকার মানুষেরা যাতে সহায়তা পেতে পারেন, সে জন্য ত্রাণকর্মীদের অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। রাখাইন রাজ্যের সঙ্কট নিরসনে আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ জন্য ইইউ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর অভিহিত করে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, আজ আমি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদির সাথে কথা বলেছি, যিনি সবেমাত্র মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করে এসেছেন। মিয়ানমার ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত ইইউ ডেলিগেশনসহ অন্যান্য মিশনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছি। রাখাইন পরিস্থিতির দিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগে রয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণের জন্য একটি পথ খুঁজে বের করতে মিয়ানমার ও সকল অংশীদারদের সমর্থন দিতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত ২৫ আগস্ট উত্তর রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলা এবং পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানায় ইইউ। আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি।

রাখাইনে নিরাপত্তা অভিযানের সাথে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফেডিরিকা মোঘারিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকার ভূমিকার প্রতি ইইউর একাত্মতা

আপডেট সময় ০৪:২৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। রাখাইন পরিস্থিতির ওপর গতকাল ইইউর হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) ফেডিরিকা মোঘারিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সঙ্কট থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া উদ্বাস্তুদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে ইইউ একাত্মতা প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সব পক্ষের উত্তেজনা প্রশমন খুবই জরুরি, যাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

সহিংসতার শিকার মানুষেরা যাতে সহায়তা পেতে পারেন, সে জন্য ত্রাণকর্মীদের অবাধ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। রাখাইন রাজ্যের সঙ্কট নিরসনে আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এ জন্য ইইউ সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুতর অভিহিত করে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, আজ আমি ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদির সাথে কথা বলেছি, যিনি সবেমাত্র মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করে এসেছেন। মিয়ানমার ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত ইইউ ডেলিগেশনসহ অন্যান্য মিশনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছি। রাখাইন পরিস্থিতির দিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগে রয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণের জন্য একটি পথ খুঁজে বের করতে মিয়ানমার ও সকল অংশীদারদের সমর্থন দিতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত ২৫ আগস্ট উত্তর রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলা এবং পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানায় ইইউ। আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি।

রাখাইনে নিরাপত্তা অভিযানের সাথে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফেডিরিকা মোঘারিনি।