ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান

বিএনপির নিয়ন্ত্রনে ‘বাজার সিন্ডিকেট’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীদের সাথে গোপন বৈঠক করেছেন। ঐ বৈঠকের মাধ্যমে তিনি সামনে পিয়াজ আলু ছাড়া আদা এবং রসুনের মূল্য বাড়ানোর কৌশল  নিয়ে কথা বলেছেন। এই বৈঠকের পর ধারনা করা হচ্ছে, আদা ও রসুনের দামেও অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। সকলেই বুঝতে পারছেন, সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ এবং আলুর বাজারে অস্থিরতা তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু এই সিন্ডিকেট কারা করছেন, সে সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য আমাদের হাতে এসেছে।

লন্ডনে পলাতক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের তত্বাবধানে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছেন বিএনপির তিন নেতা। এরা হলেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস এবং আবদুল আউয়াল মিন্টু। মূলত: খাতুন গঞ্জ, শ্যাম বাজার এবং কারওয়ান বাজারের আড়তদারদের নিয়ন্ত্রন করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে পিয়াজ এবং আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। ২০০১-০৬ সালে ক্ষমতায় ছিলো বিএনপি। এসময় তারেকের বন্ধু প্রথম বাজারে সিন্ডিকেট করে, প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করেন। এসময় আড়তদারদের মধ্যে একটা নেটওয়ার্ক তৈরী করেন মামুন। একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, মামুনের করা এই নেটওয়ার্ক এখনও বহাল রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছে, ‘খাতুন গঞ্জ’ নিয়ন্ত্রন করতে পারলে দেশের অর্ধেক বাজার নিয়ন্ত্রন করা যায়। খাতুনগঞ্জে আমীর খসরু মাহমুদের ভালো প্রভাব রয়েছে। এখানকার ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। খাতুন গঞ্জকে ব্যবহার করেই তারেক জিয়া লবন ও চিনির বাজার অস্থির করে তুলেছিলো ২০০৪ সালে। বাজার থেকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল তারেক-মামুন জুটি।

ঢাকার দুটি বাজার নিয়ন্ত্রন করলে দেশের পুরো বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনে আনা যায় এদুটি হলো শ্যামবাজার এবং কারওয়ান বাজার। এই দুই বাজারে মির্জা আব্বাসের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। আবদুল আওয়াল মিন্টু, কৃষি নিয়ে কাজ করেন। তার এগ্রো ফার্ম বেসরকারী খাতে শীর্ষ কৃষ্টি প্রতিষ্ঠান গুলোর একটি। আবদুল আওয়াল মিন্টু, বিশ্ব বাজার ব্যবস্থা সম্পর্কে গবেষণা করেন। তিনি জানেন বিশ্বে কখন কোন পণ্যের কি ধরণের উৎপাদন হবে। কোন পন্য ঘাটতি হবে। এই সিন্ডিকেটের মাষ্টার মাইন্ড মিন্টু। আর এভাবেই বাজার নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে সরকারকে ব্যতিব্যস্ত রাখা বিএনপির একটি কৌশল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

বিএনপির নিয়ন্ত্রনে ‘বাজার সিন্ডিকেট’

আপডেট সময় ০৭:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীদের সাথে গোপন বৈঠক করেছেন। ঐ বৈঠকের মাধ্যমে তিনি সামনে পিয়াজ আলু ছাড়া আদা এবং রসুনের মূল্য বাড়ানোর কৌশল  নিয়ে কথা বলেছেন। এই বৈঠকের পর ধারনা করা হচ্ছে, আদা ও রসুনের দামেও অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। সকলেই বুঝতে পারছেন, সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ এবং আলুর বাজারে অস্থিরতা তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু এই সিন্ডিকেট কারা করছেন, সে সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য আমাদের হাতে এসেছে।

লন্ডনে পলাতক বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের তত্বাবধানে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছেন বিএনপির তিন নেতা। এরা হলেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস এবং আবদুল আউয়াল মিন্টু। মূলত: খাতুন গঞ্জ, শ্যাম বাজার এবং কারওয়ান বাজারের আড়তদারদের নিয়ন্ত্রন করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে পিয়াজ এবং আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। ২০০১-০৬ সালে ক্ষমতায় ছিলো বিএনপি। এসময় তারেকের বন্ধু প্রথম বাজারে সিন্ডিকেট করে, প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করেন। এসময় আড়তদারদের মধ্যে একটা নেটওয়ার্ক তৈরী করেন মামুন। একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, মামুনের করা এই নেটওয়ার্ক এখনও বহাল রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছে, ‘খাতুন গঞ্জ’ নিয়ন্ত্রন করতে পারলে দেশের অর্ধেক বাজার নিয়ন্ত্রন করা যায়। খাতুনগঞ্জে আমীর খসরু মাহমুদের ভালো প্রভাব রয়েছে। এখানকার ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। খাতুন গঞ্জকে ব্যবহার করেই তারেক জিয়া লবন ও চিনির বাজার অস্থির করে তুলেছিলো ২০০৪ সালে। বাজার থেকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল তারেক-মামুন জুটি।

ঢাকার দুটি বাজার নিয়ন্ত্রন করলে দেশের পুরো বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনে আনা যায় এদুটি হলো শ্যামবাজার এবং কারওয়ান বাজার। এই দুই বাজারে মির্জা আব্বাসের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। আবদুল আওয়াল মিন্টু, কৃষি নিয়ে কাজ করেন। তার এগ্রো ফার্ম বেসরকারী খাতে শীর্ষ কৃষ্টি প্রতিষ্ঠান গুলোর একটি। আবদুল আওয়াল মিন্টু, বিশ্ব বাজার ব্যবস্থা সম্পর্কে গবেষণা করেন। তিনি জানেন বিশ্বে কখন কোন পণ্যের কি ধরণের উৎপাদন হবে। কোন পন্য ঘাটতি হবে। এই সিন্ডিকেটের মাষ্টার মাইন্ড মিন্টু। আর এভাবেই বাজার নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে সরকারকে ব্যতিব্যস্ত রাখা বিএনপির একটি কৌশল।