ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সরকার কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্পায়নে জোর দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য দ্রুত শিল্পায়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। তিনি বলেন, মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ এবং জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য, আর কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিল্পায়নটা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার ইউনিডো’র মহাপরিচালক লি ইয়ং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’র (ইউএনআইডিও-ইউনিডো) মহাপরিচালক বাংলাদেশকে তাঁর অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়নের ধারায় সহযোগিতা করতে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর সময়ে গৃহীত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শিল্প খাতকে সরকারি এবং বেসরকারি উভয়খাতে এবং সমবায়ের মাধ্যমে বিকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর সরকারও সেই পদাংক অনুসরণ করেই এগিয়ে যাচ্ছে।

তাঁর সরকার বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্ট করতে বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দিয়ে বিভিন্ন আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধাদি প্রদান করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সারাদেশে একশ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলে সেখানে বিনিয়োগের জন্য প্লট বরাদ্দ করছে চাইলেই এর সুযোগ নিয়ে নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সেখানে নিজস্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে লি ইয়ং বলেন, যেকোন দেশের জন্যই বৃহৎ এই জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জ স্বরূপ হলেও বাংলাদেশের এই জনসংখ্যার মধ্যে একটি বড়ো অংশ তরুণ সমাজ হওয়ায় এটি দেশটির জন্য অমিত সম্ভবনার সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশকে অবশ্যই এই ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ডের সুবিধা নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের প্রশিক্ষণ,আরো বেশি করে এগ্রো বেজড শিল্প স্থাপন এবং পণ্যেও মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ বিষয়ে ইউনিডো বাংলাদেশকে সবরকম সহায়তা দিতে প্রস্তুুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম এবং অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সরকার কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্পায়নে জোর দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য দ্রুত শিল্পায়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। তিনি বলেন, মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ এবং জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টিই মূল লক্ষ্য, আর কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিল্পায়নটা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার ইউনিডো’র মহাপরিচালক লি ইয়ং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন।

বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’র (ইউএনআইডিও-ইউনিডো) মহাপরিচালক বাংলাদেশকে তাঁর অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়নের ধারায় সহযোগিতা করতে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর সময়ে গৃহীত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শিল্প খাতকে সরকারি এবং বেসরকারি উভয়খাতে এবং সমবায়ের মাধ্যমে বিকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর সরকারও সেই পদাংক অনুসরণ করেই এগিয়ে যাচ্ছে।

তাঁর সরকার বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্ট করতে বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দিয়ে বিভিন্ন আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধাদি প্রদান করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সারাদেশে একশ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলে সেখানে বিনিয়োগের জন্য প্লট বরাদ্দ করছে চাইলেই এর সুযোগ নিয়ে নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সেখানে নিজস্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে লি ইয়ং বলেন, যেকোন দেশের জন্যই বৃহৎ এই জনসংখ্যা চ্যালেঞ্জ স্বরূপ হলেও বাংলাদেশের এই জনসংখ্যার মধ্যে একটি বড়ো অংশ তরুণ সমাজ হওয়ায় এটি দেশটির জন্য অমিত সম্ভবনার সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশকে অবশ্যই এই ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ডের সুবিধা নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের প্রশিক্ষণ,আরো বেশি করে এগ্রো বেজড শিল্প স্থাপন এবং পণ্যেও মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ বিষয়ে ইউনিডো বাংলাদেশকে সবরকম সহায়তা দিতে প্রস্তুুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম এবং অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।