ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

বোলারদের নৈপুণ্যে সিরিজ ড্র অস্ট্রেলিয়ার

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
চট্টগ্রাম টেস্টে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৮৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে পৌছে যায় অসিরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হল।
চতুর্থ দিনে ৩৭৭ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। লায়ন বাংলাদেশে তার কার্যকরিতা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের ৭ উইকেট মিলিয়ে এই টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে ৩৭৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু শুরুতেই সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তামিম ইকবালও হতাশ করেন ঘরের দর্শকদের। টানা চতুর্থ ইনিংসেও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস। তিনিও বিদায় নেন লায়নের বলে। এরপর একে একে সাকিব আল হাসান ও নাসিরের বিদায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।
এছাড়া অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩১, সাব্বির রহমান ২৪, মোমিনুল হক ২৯, তাইজুল ইসলাম ৪ ও মুস্তাফিজুর রহমান শূন্য রানে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নাথান লায়ন ৬টি, প্যাট কামিন্স ও স্টিভ ও’কেফি ২টি করে উইকেট করে উইকেট নেন।

মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও ৪৮ রান করতেই অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্নার, অধিনায়ক স্মিথ ও রেনশর উইকেট হারিয়ে ফেলে। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মারকুটে ব্যাটিং করে বাকি পথটি পাড়ি দিয়ে দেন। ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৭ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল, তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন ১৪ বলে ১৬ রান করা পিটার হ্যান্ডসকম্ব।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি ও কাতারে বাড়তি মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন

বোলারদের নৈপুণ্যে সিরিজ ড্র অস্ট্রেলিয়ার

আপডেট সময় ০৫:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
চট্টগ্রাম টেস্টে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৮৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে পৌছে যায় অসিরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হল।
চতুর্থ দিনে ৩৭৭ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। লায়ন বাংলাদেশে তার কার্যকরিতা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের ৭ উইকেট মিলিয়ে এই টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে ৩৭৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু শুরুতেই সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তামিম ইকবালও হতাশ করেন ঘরের দর্শকদের। টানা চতুর্থ ইনিংসেও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস। তিনিও বিদায় নেন লায়নের বলে। এরপর একে একে সাকিব আল হাসান ও নাসিরের বিদায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।
এছাড়া অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩১, সাব্বির রহমান ২৪, মোমিনুল হক ২৯, তাইজুল ইসলাম ৪ ও মুস্তাফিজুর রহমান শূন্য রানে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নাথান লায়ন ৬টি, প্যাট কামিন্স ও স্টিভ ও’কেফি ২টি করে উইকেট করে উইকেট নেন।

মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও ৪৮ রান করতেই অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্নার, অধিনায়ক স্মিথ ও রেনশর উইকেট হারিয়ে ফেলে। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মারকুটে ব্যাটিং করে বাকি পথটি পাড়ি দিয়ে দেন। ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৭ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল, তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন ১৪ বলে ১৬ রান করা পিটার হ্যান্ডসকম্ব।