ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬

ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষণ মামলার ৩ আসামিকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ নূরের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে ঢাবি ছাত্রীর করা মামলার দুই আসামি নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর রবিবার রাতে এক ফেসবুক লাইভে এই অভিযোগ করেন।

এর মধ্যে নাজমুল হুদাকে মগবাজার থেকে, সাইফুল ইসলামকে চানখারপুল থেকে এবং সোহবার হোসেনকে প্রেসক্লাব থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদাকে (রবিবার) দুপুর দুইটার দিকে মগবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। আমাদের নেতাকর্মীরা রমনা, লালবাগ ডিবি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়েছে। কিন্তু তারা তুলে নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। আর আজকে (রবিবার) প্রেসক্লাবে গণসংহতি আন্দোলনের ধর্ষণবিরোধী অবস্থান কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে সোহবার নিখোঁজ হয়েছে। দুপুর থেকে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ। আমরা ধরে নিচ্ছি, তাকেও ধরে নিয়ে গেছে। আর সাইফুল ইসলামকে চানখাঁরপুল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে নিয়ে মেসেও অভিযান চালানো হয়েছে এবং সেখানে আব্দুল্লাহ হিল বাকির খোঁজ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের কর্মী মেয়েটি আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং হেয় প্রতিপন্ন করতে যে মামলা করেছে তাতে সাইফুল ও নাজমুল হুদাকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু সোহরাবকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হল, তার সাথে তো মামলার কোনও সম্পর্ক নাই।’

উল্লেখ্য, ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ঢাবির এক ছাত্রী পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয় জনকে আসামি করা হয়। লালবাগ থানার মামলায় সাইফুল চার নম্বর ও নাজমুল হুদা পাঁচ নম্বর আসামি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বটিয়াঘাটায় গুলির ঘটনার পর বিতর্কের মুখে ওসি প্রত্যাহার

ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষণ মামলার ৩ আসামিকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ নূরের

আপডেট সময় ১২:৫২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে ঢাবি ছাত্রীর করা মামলার দুই আসামি নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর রবিবার রাতে এক ফেসবুক লাইভে এই অভিযোগ করেন।

এর মধ্যে নাজমুল হুদাকে মগবাজার থেকে, সাইফুল ইসলামকে চানখারপুল থেকে এবং সোহবার হোসেনকে প্রেসক্লাব থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদাকে (রবিবার) দুপুর দুইটার দিকে মগবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। আমাদের নেতাকর্মীরা রমনা, লালবাগ ডিবি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়েছে। কিন্তু তারা তুলে নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। আর আজকে (রবিবার) প্রেসক্লাবে গণসংহতি আন্দোলনের ধর্ষণবিরোধী অবস্থান কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে সোহবার নিখোঁজ হয়েছে। দুপুর থেকে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ। আমরা ধরে নিচ্ছি, তাকেও ধরে নিয়ে গেছে। আর সাইফুল ইসলামকে চানখাঁরপুল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে নিয়ে মেসেও অভিযান চালানো হয়েছে এবং সেখানে আব্দুল্লাহ হিল বাকির খোঁজ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের কর্মী মেয়েটি আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং হেয় প্রতিপন্ন করতে যে মামলা করেছে তাতে সাইফুল ও নাজমুল হুদাকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু সোহরাবকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হল, তার সাথে তো মামলার কোনও সম্পর্ক নাই।’

উল্লেখ্য, ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ঢাবির এক ছাত্রী পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয় জনকে আসামি করা হয়। লালবাগ থানার মামলায় সাইফুল চার নম্বর ও নাজমুল হুদা পাঁচ নম্বর আসামি।