ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না: মান্না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা বলে সরকার নাকি ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আসলে এই সরকার ধর্ষণের বিচার করবে না, কারণ ওরা নিজেরাই ধর্ষক।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্র অধিকার পরিষদের দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

মান্না বলেন, আজ সারা দেশ উত্তাল। বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি যে অবস্থা বিরাজ করছে তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না। প্রতিদিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে অথচ সরকারের দুই চামচা মন্ত্রী বলছেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার নাকি জিরো টলারেন্সে আছে। খোদ গতকালই (বৃহস্পতিবার) ১৯টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এরমধ্যে চৌদ্দটি হচ্ছে শিশু নির্যাতনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, আপনার জিরো টলারেন্স এখন কোথায়?

তিনি বলেন, এই সরকার একটি ফোরটুয়েন্টি সরকার। দুনিয়ার মিথ্যা কথা বলে। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ভাব করে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। যদি ডিজিটাল বাংলাদেশই হবে তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ করে দিতে হল? ডিজিটালি কি পরীক্ষা নিতে পারেন না? আপনি গার্মেন্টস খুলে দিতে পারেন, আপনি পাটকল শ্রমিকদের অধিকার মানেন না, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেন না কেন?

মান্না আরও বলেন, এই ছাত্র অধিকার পরিষদের মিছিলে যদি এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে ১০ হাজার ছাত্রের অংশগ্রহণে মিছিল হতো- এটা ওরা বোঝে। ওদের ভেতরে ভেতরে কলিজা কাঁপে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না: মান্না

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা বলে সরকার নাকি ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আসলে এই সরকার ধর্ষণের বিচার করবে না, কারণ ওরা নিজেরাই ধর্ষক।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্র অধিকার পরিষদের দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

মান্না বলেন, আজ সারা দেশ উত্তাল। বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি যে অবস্থা বিরাজ করছে তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না। প্রতিদিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে অথচ সরকারের দুই চামচা মন্ত্রী বলছেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার নাকি জিরো টলারেন্সে আছে। খোদ গতকালই (বৃহস্পতিবার) ১৯টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এরমধ্যে চৌদ্দটি হচ্ছে শিশু নির্যাতনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, আপনার জিরো টলারেন্স এখন কোথায়?

তিনি বলেন, এই সরকার একটি ফোরটুয়েন্টি সরকার। দুনিয়ার মিথ্যা কথা বলে। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ভাব করে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। যদি ডিজিটাল বাংলাদেশই হবে তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ করে দিতে হল? ডিজিটালি কি পরীক্ষা নিতে পারেন না? আপনি গার্মেন্টস খুলে দিতে পারেন, আপনি পাটকল শ্রমিকদের অধিকার মানেন না, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেন না কেন?

মান্না আরও বলেন, এই ছাত্র অধিকার পরিষদের মিছিলে যদি এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে ১০ হাজার ছাত্রের অংশগ্রহণে মিছিল হতো- এটা ওরা বোঝে। ওদের ভেতরে ভেতরে কলিজা কাঁপে।