ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে: মেজর হাফিজ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমান সরকারের গণভোটের আয়োজন দেশদ্রোহিতা: জি এম কাদের বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ হাদি হত্যার দায় স্বীকার, জবানবন্দি রুবেলের পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতিতে এসেছি: জামায়াত নেত্রী

বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না: মান্না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা বলে সরকার নাকি ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আসলে এই সরকার ধর্ষণের বিচার করবে না, কারণ ওরা নিজেরাই ধর্ষক।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্র অধিকার পরিষদের দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

মান্না বলেন, আজ সারা দেশ উত্তাল। বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি যে অবস্থা বিরাজ করছে তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না। প্রতিদিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে অথচ সরকারের দুই চামচা মন্ত্রী বলছেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার নাকি জিরো টলারেন্সে আছে। খোদ গতকালই (বৃহস্পতিবার) ১৯টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এরমধ্যে চৌদ্দটি হচ্ছে শিশু নির্যাতনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, আপনার জিরো টলারেন্স এখন কোথায়?

তিনি বলেন, এই সরকার একটি ফোরটুয়েন্টি সরকার। দুনিয়ার মিথ্যা কথা বলে। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ভাব করে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। যদি ডিজিটাল বাংলাদেশই হবে তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ করে দিতে হল? ডিজিটালি কি পরীক্ষা নিতে পারেন না? আপনি গার্মেন্টস খুলে দিতে পারেন, আপনি পাটকল শ্রমিকদের অধিকার মানেন না, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেন না কেন?

মান্না আরও বলেন, এই ছাত্র অধিকার পরিষদের মিছিলে যদি এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে ১০ হাজার ছাত্রের অংশগ্রহণে মিছিল হতো- এটা ওরা বোঝে। ওদের ভেতরে ভেতরে কলিজা কাঁপে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন

বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না: মান্না

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা বলে সরকার নাকি ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আসলে এই সরকার ধর্ষণের বিচার করবে না, কারণ ওরা নিজেরাই ধর্ষক।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্র অধিকার পরিষদের দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

মান্না বলেন, আজ সারা দেশ উত্তাল। বাংলাদেশ এখন যে পরিস্থিতি যে অবস্থা বিরাজ করছে তা পাকিস্তান আমলেও ছিল না। প্রতিদিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে অথচ সরকারের দুই চামচা মন্ত্রী বলছেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার নাকি জিরো টলারেন্সে আছে। খোদ গতকালই (বৃহস্পতিবার) ১৯টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এরমধ্যে চৌদ্দটি হচ্ছে শিশু নির্যাতনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, আপনার জিরো টলারেন্স এখন কোথায়?

তিনি বলেন, এই সরকার একটি ফোরটুয়েন্টি সরকার। দুনিয়ার মিথ্যা কথা বলে। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ভাব করে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। যদি ডিজিটাল বাংলাদেশই হবে তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা কেন বন্ধ করে দিতে হল? ডিজিটালি কি পরীক্ষা নিতে পারেন না? আপনি গার্মেন্টস খুলে দিতে পারেন, আপনি পাটকল শ্রমিকদের অধিকার মানেন না, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেন না কেন?

মান্না আরও বলেন, এই ছাত্র অধিকার পরিষদের মিছিলে যদি এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে ১০ হাজার ছাত্রের অংশগ্রহণে মিছিল হতো- এটা ওরা বোঝে। ওদের ভেতরে ভেতরে কলিজা কাঁপে।