ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা থেকে আটক ৯

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় অভিযান চালিয়ে নয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে আটক করা হয়েছে ছয়জনকে। তারা হলেন নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মন্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কামাল এবং আতিউর রহমান। তারা প্রত্যেকেই মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা।

বাকি তিনজনকে আটক করা হয় কেরলার এরনাকুলাম থেকে। তারা হলেন মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন। এই তিনজনও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। যদিও কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে পেরামবাভুর এলাকায় বসবাস করতেন। এই নয়জনই শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগে শনিবার কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। এরপর এই নয়জনকে আটক করা হয়। অস্ত্র ডেলিভারি দেওয়ার জন্য তারা কাশ্মীরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এনআইএ সূত্রে খবর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার থেকে সন্ত্রাসীর পাঠ নিয়েছে এবং দিল্লিসহ আশপাশের এলাকায় বড়সড় নাশকতা করার ছক ছিল তাদের। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ভবনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো ভারতে সন্ত্রাস সৃষ্টি ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করাই ছিল তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

এনআইএ’এর মুখপাত্র ডিআইজি সোনিয়া নারাং জানান ‘আল-কায়দার এই মডিউলটি তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে প্রশ্রয় দিত এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য এই চক্রের কয়েকজন সদস্য দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু সন্দেহভাজন এই জঙ্গিদের আটক করার ফলে ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা গেছে।’

জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগ ওঠার পরই দীর্ঘদিন ধরেই এই নয় ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নথি, ডিজিটাল যন্ত্র, জেহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির নথি। আটক ব্যক্তিদের আজই স্থানীয় আদালতে তোলা হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা থেকে আটক ৯

আপডেট সময় ০২:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় অভিযান চালিয়ে নয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে আটক করা হয়েছে ছয়জনকে। তারা হলেন নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মন্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কামাল এবং আতিউর রহমান। তারা প্রত্যেকেই মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা।

বাকি তিনজনকে আটক করা হয় কেরলার এরনাকুলাম থেকে। তারা হলেন মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন। এই তিনজনও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। যদিও কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে পেরামবাভুর এলাকায় বসবাস করতেন। এই নয়জনই শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগে শনিবার কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। এরপর এই নয়জনকে আটক করা হয়। অস্ত্র ডেলিভারি দেওয়ার জন্য তারা কাশ্মীরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এনআইএ সূত্রে খবর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার থেকে সন্ত্রাসীর পাঠ নিয়েছে এবং দিল্লিসহ আশপাশের এলাকায় বড়সড় নাশকতা করার ছক ছিল তাদের। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ভবনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো ভারতে সন্ত্রাস সৃষ্টি ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করাই ছিল তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

এনআইএ’এর মুখপাত্র ডিআইজি সোনিয়া নারাং জানান ‘আল-কায়দার এই মডিউলটি তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে প্রশ্রয় দিত এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য এই চক্রের কয়েকজন সদস্য দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু সন্দেহভাজন এই জঙ্গিদের আটক করার ফলে ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা গেছে।’

জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগ ওঠার পরই দীর্ঘদিন ধরেই এই নয় ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নথি, ডিজিটাল যন্ত্র, জেহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির নথি। আটক ব্যক্তিদের আজই স্থানীয় আদালতে তোলা হতে পারে।