ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা থেকে আটক ৯

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় অভিযান চালিয়ে নয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে আটক করা হয়েছে ছয়জনকে। তারা হলেন নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মন্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কামাল এবং আতিউর রহমান। তারা প্রত্যেকেই মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা।

বাকি তিনজনকে আটক করা হয় কেরলার এরনাকুলাম থেকে। তারা হলেন মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন। এই তিনজনও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। যদিও কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে পেরামবাভুর এলাকায় বসবাস করতেন। এই নয়জনই শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগে শনিবার কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। এরপর এই নয়জনকে আটক করা হয়। অস্ত্র ডেলিভারি দেওয়ার জন্য তারা কাশ্মীরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এনআইএ সূত্রে খবর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার থেকে সন্ত্রাসীর পাঠ নিয়েছে এবং দিল্লিসহ আশপাশের এলাকায় বড়সড় নাশকতা করার ছক ছিল তাদের। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ভবনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো ভারতে সন্ত্রাস সৃষ্টি ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করাই ছিল তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

এনআইএ’এর মুখপাত্র ডিআইজি সোনিয়া নারাং জানান ‘আল-কায়দার এই মডিউলটি তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে প্রশ্রয় দিত এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য এই চক্রের কয়েকজন সদস্য দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু সন্দেহভাজন এই জঙ্গিদের আটক করার ফলে ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা গেছে।’

জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগ ওঠার পরই দীর্ঘদিন ধরেই এই নয় ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নথি, ডিজিটাল যন্ত্র, জেহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির নথি। আটক ব্যক্তিদের আজই স্থানীয় আদালতে তোলা হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা থেকে আটক ৯

আপডেট সময় ০২:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় অভিযান চালিয়ে নয় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে আটক করা হয়েছে ছয়জনকে। তারা হলেন নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মন্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কামাল এবং আতিউর রহমান। তারা প্রত্যেকেই মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা।

বাকি তিনজনকে আটক করা হয় কেরলার এরনাকুলাম থেকে। তারা হলেন মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন। এই তিনজনও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। যদিও কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে পেরামবাভুর এলাকায় বসবাস করতেন। এই নয়জনই শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগে শনিবার কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। এরপর এই নয়জনকে আটক করা হয়। অস্ত্র ডেলিভারি দেওয়ার জন্য তারা কাশ্মীরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
এনআইএ সূত্রে খবর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার থেকে সন্ত্রাসীর পাঠ নিয়েছে এবং দিল্লিসহ আশপাশের এলাকায় বড়সড় নাশকতা করার ছক ছিল তাদের। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ভবনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো ভারতে সন্ত্রাস সৃষ্টি ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করাই ছিল তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

এনআইএ’এর মুখপাত্র ডিআইজি সোনিয়া নারাং জানান ‘আল-কায়দার এই মডিউলটি তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে প্রশ্রয় দিত এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহের জন্য এই চক্রের কয়েকজন সদস্য দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু সন্দেহভাজন এই জঙ্গিদের আটক করার ফলে ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা গেছে।’

জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজেশ থাকার অভিযোগ ওঠার পরই দীর্ঘদিন ধরেই এই নয় ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নথি, ডিজিটাল যন্ত্র, জেহাদি সাহিত্য, ধারালো অস্ত্র, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির নথি। আটক ব্যক্তিদের আজই স্থানীয় আদালতে তোলা হতে পারে।