ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শুক্র গ্রহে প্রাণের স্পন্দন!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

শুক্র গ্রহের মেঘে জীবন্ত প্রাণী ভেসে বেড়ানোর চরম সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সোমবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শুক্র গ্রহকে ঘিরে রাখা মেঘে ফসফিন গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির।

যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেন গ্রিভস ও তার সহকর্মীরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এই গ্যাসটি শনাক্ত করলেও সেটি কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।

ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তারা দেখাতে চেয়েছেন, গ্যাসটি হয়তো প্রাকৃতিকভাবে সেখানে তৈরি হয়েছে। কারণ, এই গ্যাস পৃথিবীতে উৎপন্ন হয় ব্যাকটেরিয়া থেকে। অক্সিজেন রয়েছে—এমন পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া এই গ্যাস নিঃসরণ করে।

শুক্র গ্রহে ফসফিনের অস্তিত্বের পেছনে এমন কোনো কারণ থাকলে, সেখানে প্রাণের উৎপত্তি বিকাশের পরিবেশ রয়েছে বলে আশাবাদী তারা।

ওই বিজ্ঞানীরা জানান, শুক্র গ্রহ এবং সেখানকার পরিবেশ সম্পর্কে যা কিছু এখন পর্যন্ত জানা গেছে তাতে সেখানে ফসফিন গ্যাস থাকার কোনো জৈবিক কারণ ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। আর যে পরিমাণ গ্যাসের উপস্থিতি সেখানে শনাক্ত হয়েছে তাতে জীবন্ত কোনো উৎস থাকার কথা বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শুক্র গ্রহে প্রাণের স্পন্দন!

আপডেট সময় ১০:২৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

শুক্র গ্রহের মেঘে জীবন্ত প্রাণী ভেসে বেড়ানোর চরম সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সোমবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শুক্র গ্রহকে ঘিরে রাখা মেঘে ফসফিন গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্তের পর এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির।

যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেন গ্রিভস ও তার সহকর্মীরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এই গ্যাসটি শনাক্ত করলেও সেটি কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।

ন্যাচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তারা দেখাতে চেয়েছেন, গ্যাসটি হয়তো প্রাকৃতিকভাবে সেখানে তৈরি হয়েছে। কারণ, এই গ্যাস পৃথিবীতে উৎপন্ন হয় ব্যাকটেরিয়া থেকে। অক্সিজেন রয়েছে—এমন পরিবেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া এই গ্যাস নিঃসরণ করে।

শুক্র গ্রহে ফসফিনের অস্তিত্বের পেছনে এমন কোনো কারণ থাকলে, সেখানে প্রাণের উৎপত্তি বিকাশের পরিবেশ রয়েছে বলে আশাবাদী তারা।

ওই বিজ্ঞানীরা জানান, শুক্র গ্রহ এবং সেখানকার পরিবেশ সম্পর্কে যা কিছু এখন পর্যন্ত জানা গেছে তাতে সেখানে ফসফিন গ্যাস থাকার কোনো জৈবিক কারণ ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। আর যে পরিমাণ গ্যাসের উপস্থিতি সেখানে শনাক্ত হয়েছে তাতে জীবন্ত কোনো উৎস থাকার কথা বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে।