ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আজাদসহ ৫ জনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসার নামে ভয়াবহ প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতের দুর্নীতির অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদকের সংশ্লিষ্ট টিম বুধবার তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এর আগে সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আজাদসহ ৫ জন কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন। অন্য চারজন হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (ওএসডি) ডা. মো. আমিনুল হাসান, উপপরিচালক মো. ইউনুস আলী, মো. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম। ৬ আগস্ট দুদকের পৃথক চিঠিতে তাদের তলব করা হয়।

দুদকে প্রায় পাঁচ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এ সময় তিনি বলেন, আমি একজন সৎ, দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে সারা জীবন কাজ করেছি। দুদকের তদন্তের বিষয়ে যা জানি, বিস্তারিত বলেছি। অপরাধ যেই করুক, তার বিচার হওয়া উচিত।

এদিকে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার বিষয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে ডা. আজাদকে বৃহস্পতিবার আবারও কমিশনে হাজির হতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও জালিয়তির অভিযোগে ৬ ও ৭ জুলাই অভিযানে ঢাকায় রিজেন্টের দুটি হাসপাতাল বন্ধ করে র‌্যাব। এ ঘটনায় করা মামলায় পরে সাহেদকে গ্র্রেফতার করা হয়। এর আগে করোনার চিকিৎসার দায়িত্ব দিয়ে ২১ মার্চ রাজধানীর মহাখালীতে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযানের পর এর প্রতারণা ও জালিয়তির বিষয়ে অনেক তথ্য ও অভিযোগ বেরিয়ে আসে। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে ২১ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজি আবুল কালাম আজাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আজাদসহ ৫ জনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট সময় ০৬:০৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসার নামে ভয়াবহ প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতের দুর্নীতির অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদকের সংশ্লিষ্ট টিম বুধবার তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

এর আগে সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আজাদসহ ৫ জন কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন। অন্য চারজন হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (ওএসডি) ডা. মো. আমিনুল হাসান, উপপরিচালক মো. ইউনুস আলী, মো. শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম। ৬ আগস্ট দুদকের পৃথক চিঠিতে তাদের তলব করা হয়।

দুদকে প্রায় পাঁচ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এ সময় তিনি বলেন, আমি একজন সৎ, দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে সারা জীবন কাজ করেছি। দুদকের তদন্তের বিষয়ে যা জানি, বিস্তারিত বলেছি। অপরাধ যেই করুক, তার বিচার হওয়া উচিত।

এদিকে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার বিষয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে ডা. আজাদকে বৃহস্পতিবার আবারও কমিশনে হাজির হতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসার নামে প্রতারণা ও জালিয়তির অভিযোগে ৬ ও ৭ জুলাই অভিযানে ঢাকায় রিজেন্টের দুটি হাসপাতাল বন্ধ করে র‌্যাব। এ ঘটনায় করা মামলায় পরে সাহেদকে গ্র্রেফতার করা হয়। এর আগে করোনার চিকিৎসার দায়িত্ব দিয়ে ২১ মার্চ রাজধানীর মহাখালীতে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযানের পর এর প্রতারণা ও জালিয়তির বিষয়ে অনেক তথ্য ও অভিযোগ বেরিয়ে আসে। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে ২১ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজি আবুল কালাম আজাদ।