ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আপডেট সময় ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।