ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দূষণের হাত থেকে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোহাগাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মাইক্রোবাস, নিহত ৩ দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আপডেট সময় ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।