ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার রাজধানীর তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় মামলা তুলে না নেওয়ায় সাক্ষীকে হত্যা

বাবার খুনিদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন সন্তানরা

আপডেট সময় ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কাঁদলেন তার সন্তান, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। রবিবার কুমিল্লা নগরীর সংরাইশে আব্দুল মতিনের বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা এই দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মানববন্ধনে মতিনের বড় ছেলে মো. শামীম উদ্দীন বলেন, তার বাবা নগরীর চকবাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি সালিশ পরিচালনা করে এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতেন। যার কারণে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারতো না। তাই তাকে হত্যা করা হয়। গত ২৯ মার্চ হামলা করলে তিনি ৩০ মার্চ মারা যান। খুনিদের ফাঁসি এবং তাদের মদদদাতাদের বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছে। এখনও প্রধান আসামি আল-আমিন গ্রেফতার হয়নি। এতে আতংকে দিন কাটছে তাদের।