ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

এবার ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিন অধ্যুষিত পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েল সরকার সম্প্রতি যে পরিকল্পনা করেছে তার বিরুদ্ধে খোদ ইসরায়েলিরাই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার ইসরায়েলি এই বিক্ষোভে অংশ নেন। খবর এএফপি’র।

বিক্ষোভকারীরা হাতে ছিল ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনের পতাকা। ছিল পশ্চিম তীর দখল বিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। বেশ কয়েকটি এনজিও ও বামপন্থী রাজনৈতিক দল এই বিক্ষোভের উদ্যোগ নেয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বিতর্কিত এক পরিকল্পনা প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জর্ডান নদী ঘেঁষা ফিলিস্তিন অধ্যুষিত এলাকা পশ্চিম তীরে ইহুদি জনগোষ্ঠীর বসতি স্থাপন এবং ইসরায়েল সরকারের অন্যান্য কৌশলগত কার্যক্রমে সবুজ সংকেত দেন।

সম্প্রতি প্রধান বিরোধী বেনি গান্তসের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যে জোট সরকার গঠিত হয়েছে তাতেও পশ্চিম তীর অধিগ্রহণের ব্যাপারটিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবটি পাশের জন্য ১ জুলাই মন্ত্রী পরিষদ ও পার্লামেন্টে তুলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

ইসরায়েল সরকারের পরিকল্পনায় অবশ্য একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনেরও কথা রয়েছে। তবে তাদের ভূমি কমিয়ে দেওয়া হবে। তাতে পূর্ব জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনিদের অন্যান্য মূল দাবিগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইসরায়েল সরকারের এসব একপেশে পরিকল্পনা শুরু থেকেই উড়িয়ে দিয়ে আসছে ফিলিস্তিনি নেতারা।

এসব ঘটনা প্রবাহে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই খোদ ইসরায়েলেই পশ্চিম তীর ইস্যুতে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল।

ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভকারীদের একজন আনাদ শ্রেইবার বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনি-ইহুদিরা একে-অপরের অনেক ক্ষতি করেছি।”

“আমরা ভাই ভাই-আমরা উভয়ই এখানে থাকার অধিকারী। পৃথক না থেকে ঐক্যবদ্ধ হলে আমরা অনেক কিছুই করতে পারব।”

এডেন নামে আরেজন বিক্ষোভকারী বলেন, “ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর শান্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

“জাতিবিদ্বেষ আমাদের বা ওদের কারও জন্যই শান্তি বয়ে আনতে পারবে না, ন্যায় বিচারও বয়ে আনতে পারবে না।”

ইসরায়েল সরকারের পশ্চিম তীর অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়ে এডেন বলেন, “অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়ে আমি ভীত। আমি মনে করি, পরিস্থিতি দাঙ্গায় রূপ নেবে। এমনকি যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। আমরা এই পরিকল্পনা গ্রহণ করব না…এই পরিকল্পনায় শান্তি নেই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

এবার ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ!

আপডেট সময় ১১:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিন অধ্যুষিত পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েল সরকার সম্প্রতি যে পরিকল্পনা করেছে তার বিরুদ্ধে খোদ ইসরায়েলিরাই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার ইসরায়েলি এই বিক্ষোভে অংশ নেন। খবর এএফপি’র।

বিক্ষোভকারীরা হাতে ছিল ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনের পতাকা। ছিল পশ্চিম তীর দখল বিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। বেশ কয়েকটি এনজিও ও বামপন্থী রাজনৈতিক দল এই বিক্ষোভের উদ্যোগ নেয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বিতর্কিত এক পরিকল্পনা প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জর্ডান নদী ঘেঁষা ফিলিস্তিন অধ্যুষিত এলাকা পশ্চিম তীরে ইহুদি জনগোষ্ঠীর বসতি স্থাপন এবং ইসরায়েল সরকারের অন্যান্য কৌশলগত কার্যক্রমে সবুজ সংকেত দেন।

সম্প্রতি প্রধান বিরোধী বেনি গান্তসের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যে জোট সরকার গঠিত হয়েছে তাতেও পশ্চিম তীর অধিগ্রহণের ব্যাপারটিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবটি পাশের জন্য ১ জুলাই মন্ত্রী পরিষদ ও পার্লামেন্টে তুলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

ইসরায়েল সরকারের পরিকল্পনায় অবশ্য একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনেরও কথা রয়েছে। তবে তাদের ভূমি কমিয়ে দেওয়া হবে। তাতে পূর্ব জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনিদের অন্যান্য মূল দাবিগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইসরায়েল সরকারের এসব একপেশে পরিকল্পনা শুরু থেকেই উড়িয়ে দিয়ে আসছে ফিলিস্তিনি নেতারা।

এসব ঘটনা প্রবাহে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই খোদ ইসরায়েলেই পশ্চিম তীর ইস্যুতে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল।

ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভকারীদের একজন আনাদ শ্রেইবার বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনি-ইহুদিরা একে-অপরের অনেক ক্ষতি করেছি।”

“আমরা ভাই ভাই-আমরা উভয়ই এখানে থাকার অধিকারী। পৃথক না থেকে ঐক্যবদ্ধ হলে আমরা অনেক কিছুই করতে পারব।”

এডেন নামে আরেজন বিক্ষোভকারী বলেন, “ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর শান্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

“জাতিবিদ্বেষ আমাদের বা ওদের কারও জন্যই শান্তি বয়ে আনতে পারবে না, ন্যায় বিচারও বয়ে আনতে পারবে না।”

ইসরায়েল সরকারের পশ্চিম তীর অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়ে এডেন বলেন, “অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়ে আমি ভীত। আমি মনে করি, পরিস্থিতি দাঙ্গায় রূপ নেবে। এমনকি যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। আমরা এই পরিকল্পনা গ্রহণ করব না…এই পরিকল্পনায় শান্তি নেই।”