ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যে ব্যাংকাররা করোনায় আক্রান্ত ও মারা গেছেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সাত ব্যাংক কর্মকর্তা মারা গেছেন। এছাড়া এক ব্যাংক পরিচালকও মৃত্যুবরণ করেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন কর্মকর্তা।

বিভিন্ন ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যেসব ব্যাংকার করোনায় মারা গেছেন তারা হলেন- সিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের মুজতবা শাহরিয়ার, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) মাহবুব এলাহী, রূপালী ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহিদুল ইসলাম খান, এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখর অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট জামশেদ হায়দার চৌধুরী, উত্তরা ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার কর্মকর্তা ওয়াহিদ মর্তুজা, জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের এডমিন শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার হাসিবুর রহমান এবং সিটি ব্যাংকের অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেশের অন্যতম শিল্পপতি এস আলম গ্রুপ ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদ আলম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মহামারি করোনাভাইরাসে প্রায় ৬০ জন ব্যাংকার আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তা। এরপরই রয়েছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের ১০ জন।

এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের তিনজন, রূপালী ব্যাংকের তিনজন, সাউথইস্ট ব্যাংকের তিনজন, সিটি ব্যাংকের দুজন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের দুজন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের একজন। সবমিলিয়ে ৫৫ ব্যাংককর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন চারজন। এর মধ্যে রয়েছেন- সোনালী ব্যাংকের একজন, রূপালী ব্যাংকের একজন ও দি সিটি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকরা। এর মধ্যে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ রয়েছেন। তিনি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক। এছাড়া রয়েছেন করোনায় আক্রান্ত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পরিচালক সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীও।

মৃতদের মধ্যে গত ২১ মে ভোরে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ১৭ মে রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) মাহবুব এলাহী কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে মারা যান। ১৫ মে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহিদুল ইসলাম খান রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আগে দ্য সিটি ব্যাংকের আরও দুজন মারা যান। তাদের মধ্যে গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবু সাঈদ নামের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সেন্ট্রাল ক্লিয়ারিং বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল ব্যাংকটির মানবসম্পদ বিভাগের মুজতবা শাহরিয়ার নামের এক কর্মকর্তা মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর বাইরে করোনা লক্ষণ নিয়ে চট্টগ্রামের আরও দুই ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যে ব্যাংকাররা করোনায় আক্রান্ত ও মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সাত ব্যাংক কর্মকর্তা মারা গেছেন। এছাড়া এক ব্যাংক পরিচালকও মৃত্যুবরণ করেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন কর্মকর্তা।

বিভিন্ন ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। যেসব ব্যাংকার করোনায় মারা গেছেন তারা হলেন- সিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের মুজতবা শাহরিয়ার, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) মাহবুব এলাহী, রূপালী ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহিদুল ইসলাম খান, এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখর অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট জামশেদ হায়দার চৌধুরী, উত্তরা ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার কর্মকর্তা ওয়াহিদ মর্তুজা, জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের এডমিন শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার হাসিবুর রহমান এবং সিটি ব্যাংকের অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেশের অন্যতম শিল্পপতি এস আলম গ্রুপ ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক মোরশেদ আলম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মহামারি করোনাভাইরাসে প্রায় ৬০ জন ব্যাংকার আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তা। এরপরই রয়েছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের ১০ জন।

এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের তিনজন, রূপালী ব্যাংকের তিনজন, সাউথইস্ট ব্যাংকের তিনজন, সিটি ব্যাংকের দুজন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের দুজন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের একজন। সবমিলিয়ে ৫৫ ব্যাংককর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন চারজন। এর মধ্যে রয়েছেন- সোনালী ব্যাংকের একজন, রূপালী ব্যাংকের একজন ও দি সিটি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকরা। এর মধ্যে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ রয়েছেন। তিনি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক। এছাড়া রয়েছেন করোনায় আক্রান্ত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পরিচালক সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীও।

মৃতদের মধ্যে গত ২১ মে ভোরে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ১৭ মে রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) মাহবুব এলাহী কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে মারা যান। ১৫ মে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সহিদুল ইসলাম খান রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আগে দ্য সিটি ব্যাংকের আরও দুজন মারা যান। তাদের মধ্যে গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবু সাঈদ নামের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সেন্ট্রাল ক্লিয়ারিং বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল ব্যাংকটির মানবসম্পদ বিভাগের মুজতবা শাহরিয়ার নামের এক কর্মকর্তা মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর বাইরে করোনা লক্ষণ নিয়ে চট্টগ্রামের আরও দুই ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান।