ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত করবে সেনাবাহিনী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে খুলনার উপকূলীয় কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আজ শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরের সদস্যরা কয়রার দক্ষিণ বেদকাশির গোলখালি, সদর ইউনিয়নে হরিণখোলা ও উত্তর বেদকাশির রতনাঘেরি কাটকাটা এলাকায় বাঁধে মাটি, বালু ভরাট কাজ শুরু করে। এতে দুর্ভোগে পড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বাঁধ সংস্কারে যুক্ত সেনাবাহিনীর অধিকাংশ সদস্য রোজা রেখেই কাজ করছেন।

জানা যায়, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কয়রার জোড়শিং বাজার, গোলখালী, গাজীপাড়া, ঘাটাখালিসহ ১১টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ন ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর বাঁধ সংস্কারের নামে অর্থ লুটপাট হয়। কিন্তু টেকসই বাঁধ নির্মান না হওয়ায় দুর্ভোগ এলেই ভোগান্তিতে পড়ে এখানকার মানুষ।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কয়েকটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনই বাঁধে মেরামত কাজ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কয়রায় তিনটি পয়েন্টে বাঁধ মেরামত কাজ করবে সেনাবাহিনী।

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আকতারুজ্জামান বাবু বলেন, নদীতে জোয়ারের সময় লবন পানি থেকে জমির ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তবে সেনাবাহিনী বাঁধ নির্মান কাজ শুরু করায় মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেনবাহিনীকে একই সাথে উত্তর বেতকাশির গাজিপাড়া ও মহারাজপুর দশালিয়া এলাকার বাঁধ মেরামতের জন্য বলা হয়েছে। ঘূর্নিঝড়ের আঘাতে এখানে প্রায় ৩০ ফুট গভীরতার খালের মতো তৈরি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত করবে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০৫:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে খুলনার উপকূলীয় কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আজ শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরের সদস্যরা কয়রার দক্ষিণ বেদকাশির গোলখালি, সদর ইউনিয়নে হরিণখোলা ও উত্তর বেদকাশির রতনাঘেরি কাটকাটা এলাকায় বাঁধে মাটি, বালু ভরাট কাজ শুরু করে। এতে দুর্ভোগে পড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বাঁধ সংস্কারে যুক্ত সেনাবাহিনীর অধিকাংশ সদস্য রোজা রেখেই কাজ করছেন।

জানা যায়, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কয়রার জোড়শিং বাজার, গোলখালী, গাজীপাড়া, ঘাটাখালিসহ ১১টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ন ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর বাঁধ সংস্কারের নামে অর্থ লুটপাট হয়। কিন্তু টেকসই বাঁধ নির্মান না হওয়ায় দুর্ভোগ এলেই ভোগান্তিতে পড়ে এখানকার মানুষ।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কয়েকটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনই বাঁধে মেরামত কাজ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কয়রায় তিনটি পয়েন্টে বাঁধ মেরামত কাজ করবে সেনাবাহিনী।

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আকতারুজ্জামান বাবু বলেন, নদীতে জোয়ারের সময় লবন পানি থেকে জমির ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তবে সেনাবাহিনী বাঁধ নির্মান কাজ শুরু করায় মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেনবাহিনীকে একই সাথে উত্তর বেতকাশির গাজিপাড়া ও মহারাজপুর দশালিয়া এলাকার বাঁধ মেরামতের জন্য বলা হয়েছে। ঘূর্নিঝড়ের আঘাতে এখানে প্রায় ৩০ ফুট গভীরতার খালের মতো তৈরি হয়েছে।