ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আম্পানে ৫০-৬০ শতাংশ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত, নেটওয়ার্ক বিঘ্ন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

সুপার সাইক্লোন আম্পানে দেশের টেলিকম নেটওয়ার্ক অবকাঠামোয় অনেক ক্ষতি করেছে বলে জানিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ।

তিনি জানান, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহীর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ারের সাইট এ দানবীয় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে টেলিকম সেবাকে ব্যাহত করছে।

এমটব জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে অনেক অঞ্চলে বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অপারেটররা ব্যাটারির সাহায্যে মোবাইল টাওয়ারগুলো চালু রাখে। তবে ব্যাটারির ক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে, অপারেটররা সেবা চালিয়ে যাওয়ার জন্য জেনারেটরের সাহায্য নেয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টা পর্যন্ত টাওয়ারের প্রায় ৩০ শতাংশ বা ১৩ হাজার সাইট জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছিল না। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার মোবাইল টাওয়ার রয়েছে।

এমটব এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করতে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিরলস পরিশ্রম আমাদের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তবে যেহেতু ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ারগুলো বেশিরভাগ পল্লী অঞ্চলে অবস্থিত, তাই প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতে সেবা পুনরুদ্ধারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন।

এদিকে সারাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল সেবাদানকারী ও তাদের অংশীদার সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছে এমটব।

এমটব আর জানায়, টেলিকম অবকাঠামো পুনরুদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা জরুরি, যা চলমান করোনার মহামারি পরিস্থিতিতে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আম্পানে ৫০-৬০ শতাংশ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত, নেটওয়ার্ক বিঘ্ন

আপডেট সময় ০৯:১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

সুপার সাইক্লোন আম্পানে দেশের টেলিকম নেটওয়ার্ক অবকাঠামোয় অনেক ক্ষতি করেছে বলে জানিয়েছেন মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ।

তিনি জানান, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহীর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ারের সাইট এ দানবীয় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে টেলিকম সেবাকে ব্যাহত করছে।

এমটব জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলে আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে অনেক অঞ্চলে বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অপারেটররা ব্যাটারির সাহায্যে মোবাইল টাওয়ারগুলো চালু রাখে। তবে ব্যাটারির ক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে, অপারেটররা সেবা চালিয়ে যাওয়ার জন্য জেনারেটরের সাহায্য নেয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টা পর্যন্ত টাওয়ারের প্রায় ৩০ শতাংশ বা ১৩ হাজার সাইট জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছিল না। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার মোবাইল টাওয়ার রয়েছে।

এমটব এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করতে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিরলস পরিশ্রম আমাদের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তবে যেহেতু ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ারগুলো বেশিরভাগ পল্লী অঞ্চলে অবস্থিত, তাই প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতে সেবা পুনরুদ্ধারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন।

এদিকে সারাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে মোবাইল সেবাদানকারী ও তাদের অংশীদার সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছে এমটব।

এমটব আর জানায়, টেলিকম অবকাঠামো পুনরুদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা জরুরি, যা চলমান করোনার মহামারি পরিস্থিতিতে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।