ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

লকডাউন ‘বিশাল ভুল’ সিদ্ধান্ত: নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সাড়ে চার মাসের বেশি সময় ধরে লকডাউনের কারণে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়ে আছে।

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লকডাউনকেই প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিশ্বের সব দেশ।

কিন্তু করোনা প্রতিরোধে লকডাউনের পদক্ষেপকে ‘বিশাল ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও রসায়নে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট।

সম্প্রতি আনহার্ড ডটকমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ৭৩ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী এ দাবি করেন।

বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট বর্তমানে স্টানফোর্ডের মেডিসিনস স্ট্রাকচারাল বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের প্রধান পদে কর্মরত। দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী তিনিই।

প্রফেসর লেভিট বলেন, করোনায় এ পর্যন্ত বিপর্যস্ত দেশগুলোতে নেয়া ব্যবস্থাগুলো পর্যালোচনা করলে আমি দেখছি করোনার বিপক্ষে সবচেয়ে বড় বিজয়ী দেশ- জার্মানি ও সুইডেন। কিন্তু তারা খুব বেশি একটা লকডাউন দেয়নি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোগ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার জন্য সেখানে কিছুসংখ্যক লোক অসুস্থ হয়েছে মাত্র। দেশ দুটির অর্থনীতির গতিতেও তেমন বাধা পড়েনি।

এ ক্ষেত্রে অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ইসরাইল বড় ভুল করেছে বলে দাবি করেন এ বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, এই তিন দেশ থাকবে হতভাগাদের কাতারে। খুব বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আগেই তারা কড়া লকডাউন জারি করেছে। এতে সমাজের বড় ক্ষতির পাশাপাশি কোনো ধরনের হার্ড ইমিউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি সেসব দেশে।

তিনি বলেন, আমার মতে– শরীরে ইমিউনিটি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে করোনাভাইরাসের পরবর্তী ধাক্কায় জার্মানি ও সুইডেন সুরক্ষিত থাকবে। কিন্ত দ্বিতীয় ধাপে ঝুঁকিতে পড়বে ইসরাইলের মতো বেশি লকডাউন দেয়া দেশগুলো।

লকডাউন কম দিয়ে সব কিছুকে জীবাণুমুক্তকরণে গুরুত্ব বেশি দেয়া বলে মনে করেন এই বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, যদি আবারও করোনাকে রুখতে হয় সে ক্ষেত্রে আমার অনুরোধ হবে– মাস্ক ও হাত জীবাণুমুক্তকরণে বেশি গুরুত্ব দেয়া। নগদ অর্থের বদলে মোবাইল ফোনে লেনদেন এমন ধরনের পরিশোধ ব্যবস্থা বাড়ানো যেখানে স্পর্শের দরকার হয় না।

তিনি আরও বলেন, চীন কীভাবে করোনার মোকাবেলা করেছে তা যদি বিশ্ব ভালোভাবে খেয়াল করত, তবে সরকারগুলো ভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিত। বিশেষ করে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করত না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

লকডাউন ‘বিশাল ভুল’ সিদ্ধান্ত: নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী

আপডেট সময় ০১:০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সাড়ে চার মাসের বেশি সময় ধরে লকডাউনের কারণে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়ে আছে।

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লকডাউনকেই প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিশ্বের সব দেশ।

কিন্তু করোনা প্রতিরোধে লকডাউনের পদক্ষেপকে ‘বিশাল ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও রসায়নে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট।

সম্প্রতি আনহার্ড ডটকমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ৭৩ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী এ দাবি করেন।

বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট বর্তমানে স্টানফোর্ডের মেডিসিনস স্ট্রাকচারাল বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের প্রধান পদে কর্মরত। দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী তিনিই।

প্রফেসর লেভিট বলেন, করোনায় এ পর্যন্ত বিপর্যস্ত দেশগুলোতে নেয়া ব্যবস্থাগুলো পর্যালোচনা করলে আমি দেখছি করোনার বিপক্ষে সবচেয়ে বড় বিজয়ী দেশ- জার্মানি ও সুইডেন। কিন্তু তারা খুব বেশি একটা লকডাউন দেয়নি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোগ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার জন্য সেখানে কিছুসংখ্যক লোক অসুস্থ হয়েছে মাত্র। দেশ দুটির অর্থনীতির গতিতেও তেমন বাধা পড়েনি।

এ ক্ষেত্রে অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ইসরাইল বড় ভুল করেছে বলে দাবি করেন এ বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, এই তিন দেশ থাকবে হতভাগাদের কাতারে। খুব বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আগেই তারা কড়া লকডাউন জারি করেছে। এতে সমাজের বড় ক্ষতির পাশাপাশি কোনো ধরনের হার্ড ইমিউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি সেসব দেশে।

তিনি বলেন, আমার মতে– শরীরে ইমিউনিটি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে করোনাভাইরাসের পরবর্তী ধাক্কায় জার্মানি ও সুইডেন সুরক্ষিত থাকবে। কিন্ত দ্বিতীয় ধাপে ঝুঁকিতে পড়বে ইসরাইলের মতো বেশি লকডাউন দেয়া দেশগুলো।

লকডাউন কম দিয়ে সব কিছুকে জীবাণুমুক্তকরণে গুরুত্ব বেশি দেয়া বলে মনে করেন এই বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, যদি আবারও করোনাকে রুখতে হয় সে ক্ষেত্রে আমার অনুরোধ হবে– মাস্ক ও হাত জীবাণুমুক্তকরণে বেশি গুরুত্ব দেয়া। নগদ অর্থের বদলে মোবাইল ফোনে লেনদেন এমন ধরনের পরিশোধ ব্যবস্থা বাড়ানো যেখানে স্পর্শের দরকার হয় না।

তিনি আরও বলেন, চীন কীভাবে করোনার মোকাবেলা করেছে তা যদি বিশ্ব ভালোভাবে খেয়াল করত, তবে সরকারগুলো ভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিত। বিশেষ করে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করত না।