ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে দখলমুক্ত করে সুশৃঙ্খল করা হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবার পরিধি বাড়ানো হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বান্দরবানে পাহাড়ধসে দুই পরিবারের ৫ জন নিহত এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন সারোয়ার আলমগীর, হাইকোর্টের রায় বেসরকারি বিনিয়োগ সহজ করতে সরকার কাজ করছে: বাণিজ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে গলা কেটে হত্যা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিলের দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি বামপন্থি রাজনৈতিক দল। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারদের নিঃশর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার, বিরোধী মত ও বিরোধী দল দমন, কুৎসা, মিথ্যা প্রচার বন্ধের দাবিও করা হয়।

বুধবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে এসব দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে সই করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, ৪ বাম সংগঠনের সমন্বয়ক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সভাপতি নূরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ, বাম ঐক্য ফ্রন্টের সমন্বয়ক ও গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ নাসু, বাসদ (মাহবুব)-র আহ্বায়ক সন্তোষ গুপ্ত, সমাজতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার মোর্শেদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইমাম গাজ্জালী।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড- ১৯ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ যখন জরুরি তখন আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মত দমনে উদ্যত হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণ চুরি, মাস্ক, পিপিই’র দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ ও মতামত প্রদানের কারণে গণবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে লেখক, সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, সামাজিক মাধ্যমে অভিমত প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, বিনা ওয়ারেন্টে ঘর থেকে তুলে নিয়েছে, গুম করেছে, কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। জনগণের কণ্ঠরোধ করার, বাক স্বাধীনতা হরণ করার নীতি গ্রহণ করেছে। প্রথম থেকেই সরকার কোভিড- ১৯ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ না করায়, একে এক ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতি হিসেবে আমলে না নেওয়ার ফলে যথাযথ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সমগ্র সমাজ আজ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অর্থনীতির ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার লুপ্ত প্রায়। এমন পরিস্থিতিতে জনগণকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব না দিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের উপর ফ্যাসিবাদী শাসন গভীরতর করে চলেছে।

স্বাক্ষরকারী নেতারা অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বিরোধী মত ও বিরোধী দল দমন এবং সরকারি মদদে কুৎসা প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বলেও নেতারা বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিলের দাবি

আপডেট সময় ১০:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি বামপন্থি রাজনৈতিক দল। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারদের নিঃশর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার, বিরোধী মত ও বিরোধী দল দমন, কুৎসা, মিথ্যা প্রচার বন্ধের দাবিও করা হয়।

বুধবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে এসব দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে সই করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, ৪ বাম সংগঠনের সমন্বয়ক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সভাপতি নূরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ, বাম ঐক্য ফ্রন্টের সমন্বয়ক ও গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ নাসু, বাসদ (মাহবুব)-র আহ্বায়ক সন্তোষ গুপ্ত, সমাজতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার মোর্শেদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইমাম গাজ্জালী।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড- ১৯ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ যখন জরুরি তখন আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মত দমনে উদ্যত হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণ চুরি, মাস্ক, পিপিই’র দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ ও মতামত প্রদানের কারণে গণবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে লেখক, সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, সামাজিক মাধ্যমে অভিমত প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, বিনা ওয়ারেন্টে ঘর থেকে তুলে নিয়েছে, গুম করেছে, কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। জনগণের কণ্ঠরোধ করার, বাক স্বাধীনতা হরণ করার নীতি গ্রহণ করেছে। প্রথম থেকেই সরকার কোভিড- ১৯ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করার নীতি গ্রহণ না করায়, একে এক ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতি হিসেবে আমলে না নেওয়ার ফলে যথাযথ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সমগ্র সমাজ আজ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, অর্থনীতির ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার লুপ্ত প্রায়। এমন পরিস্থিতিতে জনগণকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব না দিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের উপর ফ্যাসিবাদী শাসন গভীরতর করে চলেছে।

স্বাক্ষরকারী নেতারা অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সব আইন বাতিল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বিরোধী মত ও বিরোধী দল দমন এবং সরকারি মদদে কুৎসা প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বলেও নেতারা বলেন।