ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে: আসিফ মাহমুদ জামায়াত ক্ষমতায় গেলে হিন্দুদের ‘জামাই আদরে’ রাখবে: কৃষ্ণ নন্দী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত’:আলী রিয়াজ পুরো বাংলাদেশের কাছে মির্জা আব্বাস বাহিনীর হামলার বিচার দিলাম: নাসীরুদ্দীন চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি: মির্জা আব্বাস শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন শি জিনপিং ইলিয়াস মোল্লাহর জমি–গাড়ি–মার্কেট–ফ্ল্যাট জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ ডেনমার্ক-গ্রিনল্যান্ড নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

ঝুঁকি নিয়েই রাজধানীতে যানবাহন-মানুষের চলাচল বেড়েছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেও রাজধানীতে মানুষের চলাচল বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাভাবিক দিনের মতোই ঢাকার সড়কে যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। শুধু গণপরিবহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহনই সড়কে নেমেছে। গাড়ির চাপ থাকায় ট্রাফিক পুলিশকেও দায়িত্ব পালনে বেশ বেগ পোহাতে দেখা গেছে।

মূলত সরকার অনেকটা শিথিলতা ঘোষণার পর সড়কে যানবাহন ও মানুষের চাপ বেড়েছে। নানা প্রয়োজনে মানুষ বের হয়ে আসছে। আগের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়িও নেই। ফলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রূপে ফিরছে চিরাচরিত যানজটের নগরী ঢাকা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি মুহূর্তে গাড়ি বাড়ছে। প্রচুর গাড়ি থাকায় যানজটও তৈরি হয়। সিএনজি অটোরিকশা, ইজিবাইক, রিকশা, কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ, মিনিট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনই চলতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজার পয়েন্টে যাত্রী পরিবহনের জন্য অনেক মোটরসাইকেলও রয়েছে।

এছাড়া বিজয় সরণি সিগন্যালে যানজট বাড়ছে। প্রতিটি গাড়ি ৫-৭ মিনিট সিগন্যালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে এসব সড়কে চলাচলে পুলিশকে তল্লাশি করতে দেখা যায়নি। অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলছে যানবাহনগুলো।

যানবাহনের চাপে রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে ব্যাপক যানজট। ছবি তুলেছেন শাকিল আহমেদ।রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকামুখী সড়কে পুরো যানজট লেগে আছে। ধীরগতিতে চলছে এসব যানবাহন। দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহন ছাড়া মহাসড়কে ইজিবাইকসহ সবই চলছে। সিএনজি অটোরিকশা ও ইজিবাইকসহ যাত্রী পরিবহনকারী গাড়িগুলোতে শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। গাদাগাদি করে মানুষ যাচ্ছে গন্তব্যে।

অপরদিকে বিমানবন্দর সড়কেও গাড়ির চাপ বেড়েছে। সকালে বনানী সিগন্যালে যানজট লক্ষ্য করা গেছে। আব্দুল্লাহপুর দিয়ে ঢাকায় প্রবেশের যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গাড়ি সামাল দিতে পুলিশকেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সাইনবোর্ড এলাকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ছে। মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অনেক কিছু শিথিল হওয়ায় পুলিশও তল্লাশি শিথিল করেছে।

ইজিবাইক চালক হাসমত মিয়া বলেন, ‘পেটের তাগিদেই বের হয়েছি। এভাবে আর কতদিন চলবো? আমাদের তো কেউ খাবার দেবে না। বেঁচে থাকার তাগিদে বের হওয়া।’

সিএনজি অটোরিকশা চালক পলাশ হাসান বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি থাকলেও বেঁচে থাকার তাগিদেই বের হওয়া। স্ত্রী সন্তান নিয়ে না খেয়ে তো থাকতে পারবো না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী

ঝুঁকি নিয়েই রাজধানীতে যানবাহন-মানুষের চলাচল বেড়েছে

আপডেট সময় ০১:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেও রাজধানীতে মানুষের চলাচল বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাভাবিক দিনের মতোই ঢাকার সড়কে যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। শুধু গণপরিবহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহনই সড়কে নেমেছে। গাড়ির চাপ থাকায় ট্রাফিক পুলিশকেও দায়িত্ব পালনে বেশ বেগ পোহাতে দেখা গেছে।

মূলত সরকার অনেকটা শিথিলতা ঘোষণার পর সড়কে যানবাহন ও মানুষের চাপ বেড়েছে। নানা প্রয়োজনে মানুষ বের হয়ে আসছে। আগের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়িও নেই। ফলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রূপে ফিরছে চিরাচরিত যানজটের নগরী ঢাকা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি মুহূর্তে গাড়ি বাড়ছে। প্রচুর গাড়ি থাকায় যানজটও তৈরি হয়। সিএনজি অটোরিকশা, ইজিবাইক, রিকশা, কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ, মিনিট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনই চলতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজার পয়েন্টে যাত্রী পরিবহনের জন্য অনেক মোটরসাইকেলও রয়েছে।

এছাড়া বিজয় সরণি সিগন্যালে যানজট বাড়ছে। প্রতিটি গাড়ি ৫-৭ মিনিট সিগন্যালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে এসব সড়কে চলাচলে পুলিশকে তল্লাশি করতে দেখা যায়নি। অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলছে যানবাহনগুলো।

যানবাহনের চাপে রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে ব্যাপক যানজট। ছবি তুলেছেন শাকিল আহমেদ।রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকামুখী সড়কে পুরো যানজট লেগে আছে। ধীরগতিতে চলছে এসব যানবাহন। দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহন ছাড়া মহাসড়কে ইজিবাইকসহ সবই চলছে। সিএনজি অটোরিকশা ও ইজিবাইকসহ যাত্রী পরিবহনকারী গাড়িগুলোতে শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। গাদাগাদি করে মানুষ যাচ্ছে গন্তব্যে।

অপরদিকে বিমানবন্দর সড়কেও গাড়ির চাপ বেড়েছে। সকালে বনানী সিগন্যালে যানজট লক্ষ্য করা গেছে। আব্দুল্লাহপুর দিয়ে ঢাকায় প্রবেশের যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গাড়ি সামাল দিতে পুলিশকেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সাইনবোর্ড এলাকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ছে। মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অনেক কিছু শিথিল হওয়ায় পুলিশও তল্লাশি শিথিল করেছে।

ইজিবাইক চালক হাসমত মিয়া বলেন, ‘পেটের তাগিদেই বের হয়েছি। এভাবে আর কতদিন চলবো? আমাদের তো কেউ খাবার দেবে না। বেঁচে থাকার তাগিদে বের হওয়া।’

সিএনজি অটোরিকশা চালক পলাশ হাসান বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি থাকলেও বেঁচে থাকার তাগিদেই বের হওয়া। স্ত্রী সন্তান নিয়ে না খেয়ে তো থাকতে পারবো না।’