আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে দীর্ঘ একমাসেরও বেশি সময় ধরে কর্মহীন শ্রমিকরা। মানবেতর দিন কাটছে তাদের। অথচ পাননি তেমন কোনো সহায়তা। এদিকে, পেটের দায়ে মে দিবসেও কর্মস্থলে যোগ দিতে ছুটছেন পোশাককর্মীরা। শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা দিতে, সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শ্রমিক নেতারা।
মানিকগঞ্জ
মে দিবসেও একটু ফুরসত নেই শ্রমিকদের। পেটের দায়ে করোনার ভয় উপেক্ষা করেই দলে দলে কর্মস্থলে ছুটছেন তারা।
শুক্রবার সকালে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দিয়ে রাজধানীর উদ্দেশে আসা শ্রমিকদের ভিড় দেখা গেছে। চাকরি রক্ষার তাগিদে করোনার ভয় ও আতঙ্ককে তারা তুচ্ছ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
রংপুর
মে দিবস এবার কোন বার্তা বয়ে আনেনি কৃষি মজুরের অঞ্চল রংপুরে। করোনার অভিশাপে সবচে বেশি বিপর্যস্ত শ্রমিকেরা। এক দিন কাজে না গেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে যাদের উপোষ করতে হয়, তারা ঘর ছেড়ে বের হতে পারেননি। মানবেতর দিন কাটছে রিকশা, ভ্যান চালকদেরও।
যশোর
লকডাউনের কারণে দীর্ঘ একমাসেরও বেশি সময় ধরে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকরা। পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে সহায়তার আশায় প্রতিদিনই বাস টার্মিনালে আসছেন।
সুনামগঞ্জ
ক্ষেতে পাকা ধান। করোনার কারণে ধান কাটার জন্য রয়েছে শ্রমিক সঙ্কট। আশঙ্কা রয়েছে আগাম বন্যারও। তাইতো রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, বোরে ফসল রক্ষায় মাঠে কাজ করছেন কৃষক।
শ্রমিক নেতারা বলছেন, দেশের উন্নয়ন ও সভ্যতা নির্মাণে শ্রমিকদের অবদান সবচেয়ে বেশি। মহামারীর এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণী।
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্যই মে দিবস। কিন্তু আজও অধিকার বঞ্চিত সভ্যতার এই কারিগররা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















