ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

তামিমের এক ফোনেই বদলে গেছেন মিরাজ!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে কুপোকাত উইন্ডিজ। ঢাকা টেস্টে মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ইনিংস ও ১৮৪ রানে পরাজিত ক্যারিবীয়রা। দুই ইনিংসে ১২ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন এই অলরাউন্ডার।

অথচ আগের টেস্টে চট্টগ্রামে অভিষিক্ত নাইম হাসান এবং তাইজুল ইসলাম ৫ ও ৬ উইকেট করে পেলেও সেভাবে উইকেট পাননি মিরাজ। দুই ইনিংসে তার শিকার মাত্র ৩ উইকেট। আর ব্যাট হাতে করেন ৪০ রান।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৬৪ রানে। দল জিতলেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না হওয়ায় একটু হতাশই ছিলেন মিরাজ। তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে সেদিন রাতেই ফোন করে সাহস জোগান দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

তামিমের সেই উৎসাহে আমূল পরিবর্তণ আসে মিরাজের। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংস ৭ উইকেট শিকার করে উইন্ডিজকে ১১১ রানেই অললাউট করেন মিরাজ।

ফলোঅন এড়াতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা ক্যারিবীয়দের ৫ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। ২১৩ রানে অলআউট হয়ে ১৮৪ রানে ইনিংস ব্যবধানে হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্ট জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ হওয়ার পর রাতে তামিম ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই কেমন বোলার আমরা জানি। ভালো বোলিং হয়নি তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কপালে থাকলে তুইও উইকেট পাবি। যদি চিন্তা করিস নাঈম ভালো করছে, তুই কেন পারলি না, তাহলে কিন্তু ভালো বোলার হতে পারবি না। আমার বিশ্বাস তোর ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আছে।’

মিরাজ আরও বলেন, ‘ওই রাতে তামিম ভাই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। অনেক বেশি সাহস জুগিয়েছেন। তামিম ভাইয়ের সমর্থন আমার কাছে স্পেশাল। তার পরার্শে আমার আমূল পরিবর্তণ হয়েছে।’

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজের মধ্য দিয়ে অভিষেক হয় মিরাজের। অভিষেক টেস্ট ইংলিশদের দুই টেস্টে ১৯ উইকেট নিয়ে হইচই ফেলে দেন মিরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেবেন ডিএনসিসি প্রশাসক

তামিমের এক ফোনেই বদলে গেছেন মিরাজ!

আপডেট সময় ১১:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে কুপোকাত উইন্ডিজ। ঢাকা টেস্টে মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ইনিংস ও ১৮৪ রানে পরাজিত ক্যারিবীয়রা। দুই ইনিংসে ১২ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন এই অলরাউন্ডার।

অথচ আগের টেস্টে চট্টগ্রামে অভিষিক্ত নাইম হাসান এবং তাইজুল ইসলাম ৫ ও ৬ উইকেট করে পেলেও সেভাবে উইকেট পাননি মিরাজ। দুই ইনিংসে তার শিকার মাত্র ৩ উইকেট। আর ব্যাট হাতে করেন ৪০ রান।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৬৪ রানে। দল জিতলেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না হওয়ায় একটু হতাশই ছিলেন মিরাজ। তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে সেদিন রাতেই ফোন করে সাহস জোগান দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

তামিমের সেই উৎসাহে আমূল পরিবর্তণ আসে মিরাজের। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংস ৭ উইকেট শিকার করে উইন্ডিজকে ১১১ রানেই অললাউট করেন মিরাজ।

ফলোঅন এড়াতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা ক্যারিবীয়দের ৫ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। ২১৩ রানে অলআউট হয়ে ১৮৪ রানে ইনিংস ব্যবধানে হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্ট জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ হওয়ার পর রাতে তামিম ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই কেমন বোলার আমরা জানি। ভালো বোলিং হয়নি তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কপালে থাকলে তুইও উইকেট পাবি। যদি চিন্তা করিস নাঈম ভালো করছে, তুই কেন পারলি না, তাহলে কিন্তু ভালো বোলার হতে পারবি না। আমার বিশ্বাস তোর ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আছে।’

মিরাজ আরও বলেন, ‘ওই রাতে তামিম ভাই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। অনেক বেশি সাহস জুগিয়েছেন। তামিম ভাইয়ের সমর্থন আমার কাছে স্পেশাল। তার পরার্শে আমার আমূল পরিবর্তণ হয়েছে।’

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজের মধ্য দিয়ে অভিষেক হয় মিরাজের। অভিষেক টেস্ট ইংলিশদের দুই টেস্টে ১৯ উইকেট নিয়ে হইচই ফেলে দেন মিরাজ।