ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তামিমের এক ফোনেই বদলে গেছেন মিরাজ!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে কুপোকাত উইন্ডিজ। ঢাকা টেস্টে মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ইনিংস ও ১৮৪ রানে পরাজিত ক্যারিবীয়রা। দুই ইনিংসে ১২ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন এই অলরাউন্ডার।

অথচ আগের টেস্টে চট্টগ্রামে অভিষিক্ত নাইম হাসান এবং তাইজুল ইসলাম ৫ ও ৬ উইকেট করে পেলেও সেভাবে উইকেট পাননি মিরাজ। দুই ইনিংসে তার শিকার মাত্র ৩ উইকেট। আর ব্যাট হাতে করেন ৪০ রান।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৬৪ রানে। দল জিতলেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না হওয়ায় একটু হতাশই ছিলেন মিরাজ। তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে সেদিন রাতেই ফোন করে সাহস জোগান দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

তামিমের সেই উৎসাহে আমূল পরিবর্তণ আসে মিরাজের। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংস ৭ উইকেট শিকার করে উইন্ডিজকে ১১১ রানেই অললাউট করেন মিরাজ।

ফলোঅন এড়াতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা ক্যারিবীয়দের ৫ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। ২১৩ রানে অলআউট হয়ে ১৮৪ রানে ইনিংস ব্যবধানে হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্ট জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ হওয়ার পর রাতে তামিম ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই কেমন বোলার আমরা জানি। ভালো বোলিং হয়নি তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কপালে থাকলে তুইও উইকেট পাবি। যদি চিন্তা করিস নাঈম ভালো করছে, তুই কেন পারলি না, তাহলে কিন্তু ভালো বোলার হতে পারবি না। আমার বিশ্বাস তোর ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আছে।’

মিরাজ আরও বলেন, ‘ওই রাতে তামিম ভাই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। অনেক বেশি সাহস জুগিয়েছেন। তামিম ভাইয়ের সমর্থন আমার কাছে স্পেশাল। তার পরার্শে আমার আমূল পরিবর্তণ হয়েছে।’

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজের মধ্য দিয়ে অভিষেক হয় মিরাজের। অভিষেক টেস্ট ইংলিশদের দুই টেস্টে ১৯ উইকেট নিয়ে হইচই ফেলে দেন মিরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তামিমের এক ফোনেই বদলে গেছেন মিরাজ!

আপডেট সময় ১১:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে কুপোকাত উইন্ডিজ। ঢাকা টেস্টে মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ইনিংস ও ১৮৪ রানে পরাজিত ক্যারিবীয়রা। দুই ইনিংসে ১২ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন এই অলরাউন্ডার।

অথচ আগের টেস্টে চট্টগ্রামে অভিষিক্ত নাইম হাসান এবং তাইজুল ইসলাম ৫ ও ৬ উইকেট করে পেলেও সেভাবে উইকেট পাননি মিরাজ। দুই ইনিংসে তার শিকার মাত্র ৩ উইকেট। আর ব্যাট হাতে করেন ৪০ রান।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৬৪ রানে। দল জিতলেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না হওয়ায় একটু হতাশই ছিলেন মিরাজ। তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে সেদিন রাতেই ফোন করে সাহস জোগান দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

তামিমের সেই উৎসাহে আমূল পরিবর্তণ আসে মিরাজের। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংস ৭ উইকেট শিকার করে উইন্ডিজকে ১১১ রানেই অললাউট করেন মিরাজ।

ফলোঅন এড়াতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা ক্যারিবীয়দের ৫ উইকেট তুলে নেন মিরাজ। ২১৩ রানে অলআউট হয়ে ১৮৪ রানে ইনিংস ব্যবধানে হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্ট জয়ের পর মিরাজ বলেন, ‘চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ হওয়ার পর রাতে তামিম ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই কেমন বোলার আমরা জানি। ভালো বোলিং হয়নি তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কপালে থাকলে তুইও উইকেট পাবি। যদি চিন্তা করিস নাঈম ভালো করছে, তুই কেন পারলি না, তাহলে কিন্তু ভালো বোলার হতে পারবি না। আমার বিশ্বাস তোর ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আছে।’

মিরাজ আরও বলেন, ‘ওই রাতে তামিম ভাই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। অনেক বেশি সাহস জুগিয়েছেন। তামিম ভাইয়ের সমর্থন আমার কাছে স্পেশাল। তার পরার্শে আমার আমূল পরিবর্তণ হয়েছে।’

২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজের মধ্য দিয়ে অভিষেক হয় মিরাজের। অভিষেক টেস্ট ইংলিশদের দুই টেস্টে ১৯ উইকেট নিয়ে হইচই ফেলে দেন মিরাজ।