ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষ:অভিনেত্রী শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ শিক্ষকতার চেয়ে মহান পেশা আর কিছু হতে পারে না: মির্জা ফখরুল ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ করল মিসর, গাজায় আনন্দের ঢেউ ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় স্পিকারের শ্রদ্ধা

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে।

পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত

আপডেট সময় ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে।

পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।