ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে।

পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত

আপডেট সময় ০৩:১০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে।

পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে।

এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।