ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার ধর্ম ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করাই মূল লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী ভোল পাল্টানো লোকজনই এখন অনেক বেশি জুলাই-যোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে খুলেছে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: মাহদী আমিন এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত : রাশেদ খান ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে বড় বাধা মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি:ট্রাম্পকে যৌথ বাহিনী প্রধানের সতর্কতা পাওয়া গেল ভারতের আধার কার্ড, যেভাবে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন

নারী কৃষক কৃষিকার্ড ব্যাংক ঋণসহ অন্য উপকরণ পায় না

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নারী-পুরুষ সমতা এবং গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়নে জলবায়ু পরিবর্তন সহনীয় কৃষির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন চাই। খাস জমি উদ্ধার ও বন্দোবস্ত প্রদানের নীতিমালা নয়, আইন প্রণয়ন করতে হবে।

‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য : কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ জাতিসংঘের এ স্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এএলআরডি ও নিজেরা করি এই সেমিনারের আয়োজন করে।

খুশী কবিরের সভাপতিত্বে এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, কৃষিনীতিমালা সংশোধন করে নারী কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান এবং সরকারি সেবাগুলো নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং প্রাপ্তি নিশ্চিত করা; নারী কৃষকের ভূমিহীনতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় (জামানত বিহীন অথবা সহজ শর্তে) সরকারি ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শারমিন্দ নীলোর্মি এর মতে, সরকারি হিসাব বিশ্লেষণে জানা যায়, ৭ বছরে কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি হ্রাস পেয়েছে।

বর্তমানে কৃষিতে নিয়োজিত জনশক্তি ৪০.৬ শতাংশ। তা সত্ত্বেও এখনও সর্বোচ্চ শ্রমশক্তি কৃষিতেই নিযুক্ত রয়েছে। তবে কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তির শতকরা ৯৫.৪ ভাগই এখনও অপ্রাতিষ্ঠানিক।

জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে এখন কৃষিখাতের অবদান ১৪.১০ (বাংলাদেশ শ্রমশক্তি জরিপ : ২০১৬-১৭)। এ জরিপে গত ৭ বছরে কৃষিখাতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ৭২.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এএলআরডি’র উপ-নির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি বলেন, কৃষিতে নারীর শ্রম বেড়েছে অনেকগুণ। কিন্তু তাদের নামে জমি না থাকায় কৃষিকার্ড এবং ব্যাংক ঋণসহ অন্যান্য উপকরণ তারা পায় না। তাই তারা কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন অতি দ্রুত পাস করতে হবে।

এছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তৃর্ণমূলের সংগঠিত নারীদের মধ্যে বক্তব্য দেন পটুয়াখালীর চর মিয়ানের আফরোজা বেগম, হাওরের জবা রাণী, রংপুরের মিরা, নোয়াখালীর শাহেনা ও খতিজা, সাতক্ষীরার রেহানা, দিনাজপুরের সারামারান্ডি এবং নিজেরা করির কর্মী লাকী আক্তার প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের

নারী কৃষক কৃষিকার্ড ব্যাংক ঋণসহ অন্য উপকরণ পায় না

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নারী-পুরুষ সমতা এবং গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়নে জলবায়ু পরিবর্তন সহনীয় কৃষির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন চাই। খাস জমি উদ্ধার ও বন্দোবস্ত প্রদানের নীতিমালা নয়, আইন প্রণয়ন করতে হবে।

‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য : কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ জাতিসংঘের এ স্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এএলআরডি ও নিজেরা করি এই সেমিনারের আয়োজন করে।

খুশী কবিরের সভাপতিত্বে এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, কৃষিনীতিমালা সংশোধন করে নারী কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান এবং সরকারি সেবাগুলো নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং প্রাপ্তি নিশ্চিত করা; নারী কৃষকের ভূমিহীনতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় (জামানত বিহীন অথবা সহজ শর্তে) সরকারি ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শারমিন্দ নীলোর্মি এর মতে, সরকারি হিসাব বিশ্লেষণে জানা যায়, ৭ বছরে কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি হ্রাস পেয়েছে।

বর্তমানে কৃষিতে নিয়োজিত জনশক্তি ৪০.৬ শতাংশ। তা সত্ত্বেও এখনও সর্বোচ্চ শ্রমশক্তি কৃষিতেই নিযুক্ত রয়েছে। তবে কৃষিখাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তির শতকরা ৯৫.৪ ভাগই এখনও অপ্রাতিষ্ঠানিক।

জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে এখন কৃষিখাতের অবদান ১৪.১০ (বাংলাদেশ শ্রমশক্তি জরিপ : ২০১৬-১৭)। এ জরিপে গত ৭ বছরে কৃষিখাতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ৭২.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এএলআরডি’র উপ-নির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি বলেন, কৃষিতে নারীর শ্রম বেড়েছে অনেকগুণ। কিন্তু তাদের নামে জমি না থাকায় কৃষিকার্ড এবং ব্যাংক ঋণসহ অন্যান্য উপকরণ তারা পায় না। তাই তারা কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন অতি দ্রুত পাস করতে হবে।

এছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তৃর্ণমূলের সংগঠিত নারীদের মধ্যে বক্তব্য দেন পটুয়াখালীর চর মিয়ানের আফরোজা বেগম, হাওরের জবা রাণী, রংপুরের মিরা, নোয়াখালীর শাহেনা ও খতিজা, সাতক্ষীরার রেহানা, দিনাজপুরের সারামারান্ডি এবং নিজেরা করির কর্মী লাকী আক্তার প্রমুখ।