ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘুরে দাঁড়িয়েছে রফতানি খাত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে দাঁড়িয়েছে রফতানি খাত। একক মাস হিসেবে আগস্টে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হলেও সেপ্টেম্বরে তা অর্জন হয়েছে।

এছাড়া চলতি অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার।

সেখান থেকে অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯৩৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৯৪ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় বেশি হয়েছে ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

আর গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয় বেশি হয়েছে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ মাসওয়ারি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, একক মাস হিসেবে শুধু সেপ্টেম্বরে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। এ সময় রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭৪ কোটি ডলার। যার পরিপ্রেক্ষিতে আয় হয়েছে ৩১৪ কোটি ডলার।

সেক্ষেত্রে আয় বেশি পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের এই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ বিষয়ে ইপিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে রফতানি বাড়ানোর জন্য বিভিন্নভাবে কাজ হচ্ছে।

নতুন নতুন দেশের সঙ্গে রফতানি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে রফতানি বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে রফতানি আয়। তবে এ ধারাবাহিকতা যাতে বজায় থাকে, সে দিকেও পরিকল্পনা করছে সরকার।

ইপিবি’র প্রতিবেদনের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই তিন মাসে নিটওয়্যার খাত থেকে রফতানি আয় এসেছে ৪২০ কোটি ডলার। আর ওভেন খাতে রফতানি আয় এসেছে ৩৯৮ কোটি ডলার। পোশাকের দুই খাতে এসেছে ৮১৯ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৪২ কোটি ডলার।

সেক্ষেত্রে দেখা গেছে, তিন মাসে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এছাড়া শিল্পপণ্য খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯০৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৫১ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় বেশি হয় ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘুরে দাঁড়িয়েছে রফতানি খাত

আপডেট সময় ০৯:১৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুরে দাঁড়িয়েছে রফতানি খাত। একক মাস হিসেবে আগস্টে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হলেও সেপ্টেম্বরে তা অর্জন হয়েছে।

এছাড়া চলতি অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার।

সেখান থেকে অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯৩৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৯৪ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় বেশি হয়েছে ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

আর গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয় বেশি হয়েছে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ মাসওয়ারি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, একক মাস হিসেবে শুধু সেপ্টেম্বরে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। এ সময় রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭৪ কোটি ডলার। যার পরিপ্রেক্ষিতে আয় হয়েছে ৩১৪ কোটি ডলার।

সেক্ষেত্রে আয় বেশি পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের এই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ বিষয়ে ইপিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে রফতানি বাড়ানোর জন্য বিভিন্নভাবে কাজ হচ্ছে।

নতুন নতুন দেশের সঙ্গে রফতানি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে রফতানি বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে রফতানি আয়। তবে এ ধারাবাহিকতা যাতে বজায় থাকে, সে দিকেও পরিকল্পনা করছে সরকার।

ইপিবি’র প্রতিবেদনের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই তিন মাসে নিটওয়্যার খাত থেকে রফতানি আয় এসেছে ৪২০ কোটি ডলার। আর ওভেন খাতে রফতানি আয় এসেছে ৩৯৮ কোটি ডলার। পোশাকের দুই খাতে এসেছে ৮১৯ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৪২ কোটি ডলার।

সেক্ষেত্রে দেখা গেছে, তিন মাসে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এছাড়া শিল্পপণ্য খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯০৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৫১ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় বেশি হয় ৫ দশমিক ২ শতাংশ।