ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারল না বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ভারতের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারল না বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই ছিল ভারতের আধিপত্য। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ হেরেছে সাত উইকেটে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একই দিন দুবাইতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত।

শুক্রবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে বাংলাদেশের দেয়া ১৭৪ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৬.২ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় ভারত। দলের পক্ষে রোহিত শর্মা ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪০ রান করেন শিখর ধাওয়ান। ৩৩ রান করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মাশরাফি বিন মুর্তজা ১টি, সাকিব আল হাসান ১টি ও রুবেল হোসেন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ভারত ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৬১ রানে প্রথম উইকেট হারায়। ইনিংসের ১৫তম ওভারে শিখর ধাওয়ানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আম্বাতি রায়ডুকে ফেরান রুবেল হোসেন। ২৪তম ওভারে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়েন তিনি। অবশ্য প্রথমে আম্পায়ার আউট দেননি। কিন্তু রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম ওভারে মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ধরা পড়েন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.১ ওভারে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৬ রান করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জ্যাসপ্রীত বুমরাহ ৩৭ রান দিয়ে তিনটি ও ভুবনেশ্বর কুমার ৩২ রান দিয়ে তিনটি উইকেট শিকার করেছেন।

ইনিংসের ৩৪তম ওভারে দলীয় ১০১ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটেছিল বাংলাদেশের। তখন সকলের মনে শঙ্কা বাকি তিন উইকেটে আর কতদূর যাবে বাংলাদেশ? ১৫০ পার করতে পারবে তো? না তার আগেই অলআউট হয়ে যাবে? দলের টপ অর্ডার, মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা যেখানে হতাশ করেন সেখানে অষ্টম উইকেট জুটিতে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৬৬ রানের পার্টনারশিপ গড়লেন মাশরাফি বিন ‍মুর্তজা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: সাত উইকেটে জয়ী ভারত।

বাংলাদেশ ইনিংস: ১৭৩ (৪৯.১ ওভার)

(লিটন দাস ৭, নাজমুল হোসেন শান্ত ৭, সাকিব আল হাসান ১৭, মুশফিকুর রহিম ২১, মোহাম্মদ মিথুন ৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৫, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১২, মাশরাফি বিন মুর্তজা ২৬, মেহেদী হাসান মিরাজ ৪২, মোস্তাফিজুর রহমান ৩, রুবেল হোসেন ১*; ভুবনেশ্বর কুমার ৩/৩২, জ্যাসপ্রীত বুমরাহ ৩/৩৭, যুজবেন্দ্র চাহাল ০/৪০, রবীন্দ্র জাদেজা ৪/২৯, কুলদীপ যাদব ০/৩৪)।

ভারত ইনিংস: ১৭৪/৩ (৩৬.২ ওভার)

(রোহিত শর্মা ৮৩*, শিখর ধাওয়ান ৪০, আম্বাতি রায়ডু ১৩, মহেন্দ্র সিং ধোনি ৩৩, দিনেশ কার্তিক ১*; মাশরাফি বিন মুর্তজা ১/৩০, মেহেদী হাসান মিরাজ ০/৩৮, মোস্তাফিজুর রহমান ০/৪০, সাকিব আল হাসান ১/৪৪, রুবেল হোসেন ১/২১)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিরাইয়ে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধের প্রতিবাদে সোচ্চার মহিলা ক্রীড়া

প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারল না বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১২:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ভারতের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারল না বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই ছিল ভারতের আধিপত্য। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ হেরেছে সাত উইকেটে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একই দিন দুবাইতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত।

শুক্রবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে বাংলাদেশের দেয়া ১৭৪ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৬.২ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় ভারত। দলের পক্ষে রোহিত শর্মা ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪০ রান করেন শিখর ধাওয়ান। ৩৩ রান করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মাশরাফি বিন মুর্তজা ১টি, সাকিব আল হাসান ১টি ও রুবেল হোসেন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ভারত ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৬১ রানে প্রথম উইকেট হারায়। ইনিংসের ১৫তম ওভারে শিখর ধাওয়ানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আম্বাতি রায়ডুকে ফেরান রুবেল হোসেন। ২৪তম ওভারে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়েন তিনি। অবশ্য প্রথমে আম্পায়ার আউট দেননি। কিন্তু রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম ওভারে মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ধরা পড়েন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.১ ওভারে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৬ রান করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জ্যাসপ্রীত বুমরাহ ৩৭ রান দিয়ে তিনটি ও ভুবনেশ্বর কুমার ৩২ রান দিয়ে তিনটি উইকেট শিকার করেছেন।

ইনিংসের ৩৪তম ওভারে দলীয় ১০১ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটেছিল বাংলাদেশের। তখন সকলের মনে শঙ্কা বাকি তিন উইকেটে আর কতদূর যাবে বাংলাদেশ? ১৫০ পার করতে পারবে তো? না তার আগেই অলআউট হয়ে যাবে? দলের টপ অর্ডার, মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা যেখানে হতাশ করেন সেখানে অষ্টম উইকেট জুটিতে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৬৬ রানের পার্টনারশিপ গড়লেন মাশরাফি বিন ‍মুর্তজা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: সাত উইকেটে জয়ী ভারত।

বাংলাদেশ ইনিংস: ১৭৩ (৪৯.১ ওভার)

(লিটন দাস ৭, নাজমুল হোসেন শান্ত ৭, সাকিব আল হাসান ১৭, মুশফিকুর রহিম ২১, মোহাম্মদ মিথুন ৯, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৫, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১২, মাশরাফি বিন মুর্তজা ২৬, মেহেদী হাসান মিরাজ ৪২, মোস্তাফিজুর রহমান ৩, রুবেল হোসেন ১*; ভুবনেশ্বর কুমার ৩/৩২, জ্যাসপ্রীত বুমরাহ ৩/৩৭, যুজবেন্দ্র চাহাল ০/৪০, রবীন্দ্র জাদেজা ৪/২৯, কুলদীপ যাদব ০/৩৪)।

ভারত ইনিংস: ১৭৪/৩ (৩৬.২ ওভার)

(রোহিত শর্মা ৮৩*, শিখর ধাওয়ান ৪০, আম্বাতি রায়ডু ১৩, মহেন্দ্র সিং ধোনি ৩৩, দিনেশ কার্তিক ১*; মাশরাফি বিন মুর্তজা ১/৩০, মেহেদী হাসান মিরাজ ০/৩৮, মোস্তাফিজুর রহমান ০/৪০, সাকিব আল হাসান ১/৪৪, রুবেল হোসেন ১/২১)।