ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান ছাড়া সরকারি নিয়োগ নয়: তথ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে জ্ঞান না থাকলে কেউ সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাবেন না। আগামী দুই বছরের মধ্যে এমনবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ‘এ টু আই’ নিয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ যে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেটাকে আরো ত্বরান্বিত করতে হলে সবার সামান্য পরিমাণ হলেও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকা জরুরি হয়ে পড়েছে। আগামী ২ বছরের মধ্যে সরকারি যে কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলে কেউ নিয়োগ পাবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রযুক্তিগত জ্ঞান যতবেশি প্রসারিত হবে দেশ তত বেশি উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। সেজন্য আজ চায়না নিংবো পলিটেকনিকের সঙ্গে চুক্তিতে আশা করি আমাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরো সম্প্রসারিত হবে।’

দেশের বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে তথ্য প্রযুক্তি যুগোপযোগী ভূমিকা রাখবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ আজ কয়েকটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করার চ্যালেঞ্জ, দক্ষতা অর্জনের চ্যালেঞ্জ, খুনি, জঙ্গি রাজাকার মুক্ত গণতন্ত্র গড়ার চ্যালেঞ্জ, নিরাপদ সাইবার জগতের চ্যালেঞ্জ। এই চার বিষয় যদি আমারা অর্জন করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ আরো কয়েকধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।’

মন্ত্রী বলেন, এসব উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় সাইবার অপরাধ। যা রক্ষা করার তাগিদ দিলেন হাসানুল হক ইনু। বলেন, ‘এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটা বাধাও রয়েছে সেটা হল সাইবার অপরাধী। যারা প্রযুক্তির ছায়াতলে অপরাধী কার্যকলাপ চালায় তাদের নির্মূল করতে হবে। তা নাহলে এই সুবিস্তীর্ণ সাইবার জগতে বিচরণ করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্রকেও রাজাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। যে গণতন্ত্রের জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি সেটাকে ধ্বংস হতে দেয়া যাবে না। বাকস্বাধীনতা এবং আমাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে।’

দেশে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার যখন জঙ্গি, খুনি, সাইবার অপরাধী গ্রেপ্তার করছে তখন একটা পক্ষ চিৎকার করে বলছে গণতন্ত্র গেলো গণতন্ত্র গেলো। এই কথা বলার মধ্য দিয়ে তারা রাজাকারদের দেশের রাজনীতিতে পবিত্র করার অশুভ চেষ্টা চালাচ্ছে। পৃথিবীতে কোনো গণতন্ত্র নাই যে আদালত, আইনকানুন বা আইনশৃঙ্খলা ছাড়া। তার মানে হচ্ছে একটা আইনি কাঠামোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা হয়।’

যারা বেগম জিয়ার মুক্তির দাবি জানান, তারা গণতন্ত্রকে হত্যার চেষ্টায় লিপ্ত- এমন দাবি করে তথ্য মন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে মশারি ঢাকা একটা তুলতুলে বিছানা, যে মশারির ভেতর বসে আপনি সবকিছু দেখতে পারবেন কিন্তু মশামাছি আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। যারা বিচার আচার মানেন না এবং নাজিমুদ্দিন কারাগারের জঘন্য অপরাধীদের মুক্তির দাবি তুলে তারা গণতন্ত্র কে হত্যার চেষ্টা চালায়।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব আলমগীর হোসেন, নিংবো পলিটেকনিক অব চায়নার পরিচালক ড. ওয়াং কিউআই, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান ছাড়া সরকারি নিয়োগ নয়: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৪৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে জ্ঞান না থাকলে কেউ সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাবেন না। আগামী দুই বছরের মধ্যে এমনবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ‘এ টু আই’ নিয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ যে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেটাকে আরো ত্বরান্বিত করতে হলে সবার সামান্য পরিমাণ হলেও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকা জরুরি হয়ে পড়েছে। আগামী ২ বছরের মধ্যে সরকারি যে কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলে কেউ নিয়োগ পাবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রযুক্তিগত জ্ঞান যতবেশি প্রসারিত হবে দেশ তত বেশি উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। সেজন্য আজ চায়না নিংবো পলিটেকনিকের সঙ্গে চুক্তিতে আশা করি আমাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরো সম্প্রসারিত হবে।’

দেশের বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে তথ্য প্রযুক্তি যুগোপযোগী ভূমিকা রাখবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ আজ কয়েকটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করার চ্যালেঞ্জ, দক্ষতা অর্জনের চ্যালেঞ্জ, খুনি, জঙ্গি রাজাকার মুক্ত গণতন্ত্র গড়ার চ্যালেঞ্জ, নিরাপদ সাইবার জগতের চ্যালেঞ্জ। এই চার বিষয় যদি আমারা অর্জন করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ আরো কয়েকধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।’

মন্ত্রী বলেন, এসব উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় সাইবার অপরাধ। যা রক্ষা করার তাগিদ দিলেন হাসানুল হক ইনু। বলেন, ‘এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটা বাধাও রয়েছে সেটা হল সাইবার অপরাধী। যারা প্রযুক্তির ছায়াতলে অপরাধী কার্যকলাপ চালায় তাদের নির্মূল করতে হবে। তা নাহলে এই সুবিস্তীর্ণ সাইবার জগতে বিচরণ করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্রকেও রাজাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। যে গণতন্ত্রের জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি সেটাকে ধ্বংস হতে দেয়া যাবে না। বাকস্বাধীনতা এবং আমাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে।’

দেশে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার যখন জঙ্গি, খুনি, সাইবার অপরাধী গ্রেপ্তার করছে তখন একটা পক্ষ চিৎকার করে বলছে গণতন্ত্র গেলো গণতন্ত্র গেলো। এই কথা বলার মধ্য দিয়ে তারা রাজাকারদের দেশের রাজনীতিতে পবিত্র করার অশুভ চেষ্টা চালাচ্ছে। পৃথিবীতে কোনো গণতন্ত্র নাই যে আদালত, আইনকানুন বা আইনশৃঙ্খলা ছাড়া। তার মানে হচ্ছে একটা আইনি কাঠামোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা হয়।’

যারা বেগম জিয়ার মুক্তির দাবি জানান, তারা গণতন্ত্রকে হত্যার চেষ্টায় লিপ্ত- এমন দাবি করে তথ্য মন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে মশারি ঢাকা একটা তুলতুলে বিছানা, যে মশারির ভেতর বসে আপনি সবকিছু দেখতে পারবেন কিন্তু মশামাছি আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না। যারা বিচার আচার মানেন না এবং নাজিমুদ্দিন কারাগারের জঘন্য অপরাধীদের মুক্তির দাবি তুলে তারা গণতন্ত্র কে হত্যার চেষ্টা চালায়।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব আলমগীর হোসেন, নিংবো পলিটেকনিক অব চায়নার পরিচালক ড. ওয়াং কিউআই, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গ।