ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অবৈধভাবে চলছে ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোহাম্মদপুরের ২২/১৪-বি খিলজী রোডে আবাসিক এলাকার মধ্যে চলছে ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম। অভিযোগ রয়েছে এ হাসপাতালের লাইসেন্স নেই।

এছাড়া চুরি করে বাচ্চা বিক্রয়, ভুয়া ডাক্তার দিয়ে অপারেশন ও চাপের কারণে রোগীর আত্মহত্যাসহ আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের মালিক নূরনবী মাঝেমধ্যেই ডাক্তার না থাকলে হয়ে যান বড় ডাক্তার। হাসপাতালের ম্যানেজার মো. আকরাম হোসেন পরিচয় দেন একজন প্রফেসর হিসেবে।
মো. নূরনবী ছাড়াও এ হাসপাতালের মালিকানায় রয়েছে তার স্ত্রী ডা. মাছুমা পারভীন, ভাগিনা মহিউদ্দিন ও রহমতউল্লাহ। এত অপকর্ম করেও তারা বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছে। আগে এ হাসপাতালের নাম ছিল বেবী কেয়ার হাসপাতাল। চুরি করে বাচ্চা বিক্রির অভিযোগে মামলা হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে দেয়া হয় ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল।

মহিউদ্দিন ও রহমতউল্লাহ ইসলামিক মানসিক হাসপাতালের কার্যক্রম চালাতেন একই ভবনের ৫ম তলায়। সেখানে একজন রোগী আত্মহত্যা করায় মাস চারেক হল বন্ধ হয়ে যায় সেটি। নূরনবী ও তার স্ত্রী ডা. মাসুমা পারভীন মিলে ক্রিসেন্ট হাসপাতাল পরিচালনা করতেন।

মাস ছয়েক আগে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে অপারেশন, অতিরিক্ত বিল আদায়, দালালের মাধ্যমে রোগী আনার অভিযোগে এ হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে ক্রিসেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রমও গোপনে পরিচালনা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালে মূলত দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগী ভর্তি করা হয়। ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খেলতে গিয়ে তার পায়ের একটি লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। তারপর বেশ কিছু দিন ব্যথার ওষুধ খেয়ে ভাল হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু এমআরআই করার পর ধরা পড়ে তার পায়ে রগ ছিঁড়ে গেছে। তারপর ঝিনাইদহ থেকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে আসেন।

সেখান থেকে ওয়ার্ড বয় ইমদাদুল হকের মাধ্যমে এখানে ভর্তি করা হয়। মালিক নূরনবী জানান, আমি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের কোনো কাজ এখানে করি না। আমাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে।

দালালদের মাধ্যমে রোগীও ভর্তি করি না। কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আপনাকে কেন কাগজ দেখাব। আমার সব কাগজ ঠিক আছে। আপনি যা লেখার লেখেন তাতে আমাদের কিছুই হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অবৈধভাবে চলছে ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল

আপডেট সময় ০৪:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোহাম্মদপুরের ২২/১৪-বি খিলজী রোডে আবাসিক এলাকার মধ্যে চলছে ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম। অভিযোগ রয়েছে এ হাসপাতালের লাইসেন্স নেই।

এছাড়া চুরি করে বাচ্চা বিক্রয়, ভুয়া ডাক্তার দিয়ে অপারেশন ও চাপের কারণে রোগীর আত্মহত্যাসহ আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের মালিক নূরনবী মাঝেমধ্যেই ডাক্তার না থাকলে হয়ে যান বড় ডাক্তার। হাসপাতালের ম্যানেজার মো. আকরাম হোসেন পরিচয় দেন একজন প্রফেসর হিসেবে।
মো. নূরনবী ছাড়াও এ হাসপাতালের মালিকানায় রয়েছে তার স্ত্রী ডা. মাছুমা পারভীন, ভাগিনা মহিউদ্দিন ও রহমতউল্লাহ। এত অপকর্ম করেও তারা বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছে। আগে এ হাসপাতালের নাম ছিল বেবী কেয়ার হাসপাতাল। চুরি করে বাচ্চা বিক্রির অভিযোগে মামলা হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে দেয়া হয় ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল।

মহিউদ্দিন ও রহমতউল্লাহ ইসলামিক মানসিক হাসপাতালের কার্যক্রম চালাতেন একই ভবনের ৫ম তলায়। সেখানে একজন রোগী আত্মহত্যা করায় মাস চারেক হল বন্ধ হয়ে যায় সেটি। নূরনবী ও তার স্ত্রী ডা. মাসুমা পারভীন মিলে ক্রিসেন্ট হাসপাতাল পরিচালনা করতেন।

মাস ছয়েক আগে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে অপারেশন, অতিরিক্ত বিল আদায়, দালালের মাধ্যমে রোগী আনার অভিযোগে এ হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে ক্রিসেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রমও গোপনে পরিচালনা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালে মূলত দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগী ভর্তি করা হয়। ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খেলতে গিয়ে তার পায়ের একটি লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। তারপর বেশ কিছু দিন ব্যথার ওষুধ খেয়ে ভাল হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু এমআরআই করার পর ধরা পড়ে তার পায়ে রগ ছিঁড়ে গেছে। তারপর ঝিনাইদহ থেকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে আসেন।

সেখান থেকে ওয়ার্ড বয় ইমদাদুল হকের মাধ্যমে এখানে ভর্তি করা হয়। মালিক নূরনবী জানান, আমি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের কোনো কাজ এখানে করি না। আমাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে।

দালালদের মাধ্যমে রোগীও ভর্তি করি না। কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আপনাকে কেন কাগজ দেখাব। আমার সব কাগজ ঠিক আছে। আপনি যা লেখার লেখেন তাতে আমাদের কিছুই হবে না।