ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ডিএসসিসির বিশেষ সভা, কমিটি গঠন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের আমন্ত্রণে ইসলামী আন্দোলন প্রতিনিধিদলের মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ নতুন ভিসানীতি করছে সরকার, খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন দামেস্কের ক্যাফেতে বোমা বিস্ফোরণ, হতাহত ২১ প্রশাসনে প্রটোকলের নামে জুনিয়রদের ওপর নির্যাতন, দুর্নীতির বীজ বপন হচ্ছে:মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের জুলাই নিয়ে শাওনের কটূক্তি শেখ হাসিনার অপরাধের শামিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি

দুদকের নতুন কমিশনার মোজাম্মেল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান। রবিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিধানমতে বিদ্যমান সরকারি আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন (পিআরএল বাতিল ইত্যাদি) সাপেক্ষে মোজাম্মেল হককে দুদক কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের কমিশনার হিসেবে তিনি কমিশনের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান পদমর্যাদা ভোগ করবেন বলে আদেশে বলা হয়েছে।

শনিবার থেকে মোজাম্মেল হকের স্বেচ্ছা অবসর মঞ্জুর করে এর আগেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিল। যদিও আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ ছিল মোজাম্মেল হকের।

দুদকের কমিশনার (অনুসন্ধান) নাসিরউদ্দিন আহমেদের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৫ জুন। এজন্য একজন কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ দিতে আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এই কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির এ সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়। বাছাই কমিটি কমিশনার নিয়োগ দিতে দু’জনের নাম প্রস্তাব করে থাকে, সেখান থেকে একজনকে নিয়োগ দেয় রাষ্ট্রপতি। মোজাম্মেল হক খানকে নিয়োগ দিয়ে শূন্য পদটি পূরণ করা হলো।

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চাকরিতে যোগ দেন ১৯৮৩ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। পরে তিনি মিসর থেকে পিএসডি ডিগ্রি নেন।

২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব হওয়ার পর ওই বছর ৪ আগস্ট একই মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পান মোজাম্মেল। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে সচিবের দায়িত্বে থাকার সময় ২০১৪ সালের ২০ মার্চ পদোন্নতি পেয়ে তিনি জ্যেষ্ঠ সচিব হন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্ব পালন করা মোজাম্মেল হক ২০০১ সালের মার্চে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় অল্প দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ছিলেন।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম আমান উল্লাহর পিএস এবং সাবেক ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার আমিন মিয়া চৌধুরীর পিএসের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।

এক সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরিচালকের (ফাইন্যান্স) দায়িত্ব পালন করা মোজাম্মেলের চাকরির মেয়াদ রয়েছে আরও প্রায় দুই বছর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি

দুদকের নতুন কমিশনার মোজাম্মেল হক

আপডেট সময় ১০:১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান। রবিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিধানমতে বিদ্যমান সরকারি আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন (পিআরএল বাতিল ইত্যাদি) সাপেক্ষে মোজাম্মেল হককে দুদক কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের কমিশনার হিসেবে তিনি কমিশনের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান পদমর্যাদা ভোগ করবেন বলে আদেশে বলা হয়েছে।

শনিবার থেকে মোজাম্মেল হকের স্বেচ্ছা অবসর মঞ্জুর করে এর আগেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিল। যদিও আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ ছিল মোজাম্মেল হকের।

দুদকের কমিশনার (অনুসন্ধান) নাসিরউদ্দিন আহমেদের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৫ জুন। এজন্য একজন কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ দিতে আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এই কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির এ সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়। বাছাই কমিটি কমিশনার নিয়োগ দিতে দু’জনের নাম প্রস্তাব করে থাকে, সেখান থেকে একজনকে নিয়োগ দেয় রাষ্ট্রপতি। মোজাম্মেল হক খানকে নিয়োগ দিয়ে শূন্য পদটি পূরণ করা হলো।

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চাকরিতে যোগ দেন ১৯৮৩ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। পরে তিনি মিসর থেকে পিএসডি ডিগ্রি নেন।

২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব হওয়ার পর ওই বছর ৪ আগস্ট একই মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পান মোজাম্মেল। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে সচিবের দায়িত্বে থাকার সময় ২০১৪ সালের ২০ মার্চ পদোন্নতি পেয়ে তিনি জ্যেষ্ঠ সচিব হন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্ব পালন করা মোজাম্মেল হক ২০০১ সালের মার্চে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় অল্প দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ছিলেন।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম আমান উল্লাহর পিএস এবং সাবেক ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার আমিন মিয়া চৌধুরীর পিএসের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।

এক সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরিচালকের (ফাইন্যান্স) দায়িত্ব পালন করা মোজাম্মেলের চাকরির মেয়াদ রয়েছে আরও প্রায় দুই বছর।