ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ: ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মামা-ভাগ্নির মৃত্যু নাইজেরিয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল বিমান, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৬৮ যাত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে বদ্ধপরিকর সরকার: মির্জা ফখরুল কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী সেদেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

যাতে দেখা যায়, ২০১৬ সালের তুলনায় গত বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। ধনীদের অর্থ, গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহুযুগের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। গ্রাহকের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে কঠোর দেশটির ব্যাংকিং খাত। যে কারণে অবৈধ আয় ও কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে।

সুনির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও কয়েক বছর ধরে দেশভিত্তিক আমানতের পরিমাণ প্রকাশ করে আসছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ এর ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ; বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। আগের বছর এ অঙ্ক ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ ফ্রাঁ বা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, কোন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব গোপন কেরে অর্থ জমা রাখলে ওই টাকা এ হিসাবে অন্তর্ভূক্ত নয়। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি প্রতিবেদনে।

এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর বাংলাদেশিদের আমানত হু হু করে বেড়েছে সুইস ব্যাংকে। ২০০২ সালের মাত্র ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্রাঁ আমানত দেড় দশকে বাড়ে, ২২ গুণ। কেবল বাংলাদেশ নয়, সামগ্রিকভাবেও ২০১৭ সালে আমানত অনেক কমেছে সুইস ব্যাংকগুলোতে। দেশটিতে কমেছে ব্যাংকের সংখ্যাও।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় অনেক ধনী এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য ঝুঁকছেন লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, পানামা কিংবা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেনের দিকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৬:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী সেদেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

যাতে দেখা যায়, ২০১৬ সালের তুলনায় গত বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। ধনীদের অর্থ, গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহুযুগের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। গ্রাহকের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে কঠোর দেশটির ব্যাংকিং খাত। যে কারণে অবৈধ আয় ও কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে।

সুনির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও কয়েক বছর ধরে দেশভিত্তিক আমানতের পরিমাণ প্রকাশ করে আসছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ এর ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ; বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। আগের বছর এ অঙ্ক ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ ফ্রাঁ বা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, কোন বাংলাদেশি নাগরিকত্ব গোপন কেরে অর্থ জমা রাখলে ওই টাকা এ হিসাবে অন্তর্ভূক্ত নয়। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি প্রতিবেদনে।

এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর বাংলাদেশিদের আমানত হু হু করে বেড়েছে সুইস ব্যাংকে। ২০০২ সালের মাত্র ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্রাঁ আমানত দেড় দশকে বাড়ে, ২২ গুণ। কেবল বাংলাদেশ নয়, সামগ্রিকভাবেও ২০১৭ সালে আমানত অনেক কমেছে সুইস ব্যাংকগুলোতে। দেশটিতে কমেছে ব্যাংকের সংখ্যাও।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় অনেক ধনী এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য ঝুঁকছেন লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, পানামা কিংবা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেনের দিকে।