অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পড়ে নাশকতা করতে বিএনপি পরিকল্পনা করেছিল বলে দেখা গেছে ফাঁস হওয়া এক টেলিফোন আলাপনে।
যে দুই জনের মধ্যে এই কথা বলাবলি হচ্ছিল, তাদের একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলে চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। আর গতরাত তিনটার দিকে তাকে আটকও করা হয়।
ফাঁস হওয়া কথোপকথনে বাইরে আওয়ামী লীগ এবং ভেতরে ভেতরে বিএনপি করে এমন লোকদেরকে চিহ্নিত করে গণ্ডগোল করতে ‘যন্ত্রপাতি’ দেয়ার কথাও বলেন বিএনপি নেতা মিজান। এর পাশাপাশি বাছাই করা লোকদেরকে টাকা পয়সার পাশাপাশি ‘প্রশিক্ষণ’ দেয়ার কথাও বলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।
গোয়েন্দারা মিজানকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত দুটি অডিও ক্লিপ জব্দ করেন।
রাত সাড়ে তিনটার দিকে গুলশান ১ নম্বরের ৮ নম্বর সড়কের ১০ নম্বর বাসা থেকে ধরে আনা হয় মিজানকে। এরপর সকালে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী এই গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানান। কিন্তু এরপরই মিজানের কথিত পথোপকথনের দুটি অডিও ক্লিপ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। কন্সপেরেসি লিক নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলেও এই দুটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান জানান, গাজীপুরে নির্বাচনকেন্দ্রিক নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মিজানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধ তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হচ্ছে।
গোয়েন্দাদের তথ্যমতে মিজান যার সঙ্গে কথা বলছিলেন তার নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের যুবদলের একজন নেতা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















