ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে জয়ী হলে এরদোগান আরো ক্ষমতাধর হয়ে উঠবেন

রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছে। এক দশকেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতায় আসার পর এবারের নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টা থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল ৫টায় তা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাঁচ কোটি ৬০ লাখের বেশি বৈধ ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। তবে গত মাসে ৩০ লাখের বেশি অভিবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন।

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু এরদোগান তা এগিয়ে এনেছেন। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী। কোনো প্রার্থী শতকরা ৫০ ভাগ ভোট পেলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। তবে তা না হলে আগামী ৮ জুলাই পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তুরস্কের অবস্থান এমন এক জায়গায় যে এর নেতা কে হচ্ছেন তার বৈশ্বিক গুরুত্ব আছে। কারণ তার একদিকে ইউরোপ, অন্য দিকে ইরাক আর সিরিয়ার সীমান্ত। এর মধ্যে বৃহৎ মুসলিম বিশ্বের এক নেতৃস্থানীয় দেশ তুরস্ক পশ্চিমা বিশ্বেরও এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্র, নেটো জোটের সদস্য।

তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও সদস্য পদপ্রার্থী। তুরস্কের সেনাবাহিনী নেটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাহিনী। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, কুর্দি সমস্যা, ইরাক-সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই, অভিবাসী সংকট – ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে তুরস্কের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ নির্বাচনে জয়ী হলে এরদোগান আরো ক্ষমতাধর হয়ে উঠবেন। আর যদি তা না হয় তাহলে তুরস্ক রাষ্ট্রের গতিপথই বদলে যেতে পারে। এরদোগান এখনো বিপুলভাবে জনপ্রিয়। তাই নির্বাচনের ফল যখন আসতে শুরু করবে, তখন সংশয়বাদীরা ভুল প্রমাণিত হতে পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে জয়ী হলে এরদোগান আরো ক্ষমতাধর হয়ে উঠবেন

আপডেট সময় ০৬:২০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছে। এক দশকেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতায় আসার পর এবারের নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টা থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল ৫টায় তা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাঁচ কোটি ৬০ লাখের বেশি বৈধ ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। তবে গত মাসে ৩০ লাখের বেশি অভিবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন।

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু এরদোগান তা এগিয়ে এনেছেন। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী। কোনো প্রার্থী শতকরা ৫০ ভাগ ভোট পেলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। তবে তা না হলে আগামী ৮ জুলাই পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তুরস্কের অবস্থান এমন এক জায়গায় যে এর নেতা কে হচ্ছেন তার বৈশ্বিক গুরুত্ব আছে। কারণ তার একদিকে ইউরোপ, অন্য দিকে ইরাক আর সিরিয়ার সীমান্ত। এর মধ্যে বৃহৎ মুসলিম বিশ্বের এক নেতৃস্থানীয় দেশ তুরস্ক পশ্চিমা বিশ্বেরও এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্র, নেটো জোটের সদস্য।

তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও সদস্য পদপ্রার্থী। তুরস্কের সেনাবাহিনী নেটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাহিনী। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, কুর্দি সমস্যা, ইরাক-সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই, অভিবাসী সংকট – ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে তুরস্কের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ নির্বাচনে জয়ী হলে এরদোগান আরো ক্ষমতাধর হয়ে উঠবেন। আর যদি তা না হয় তাহলে তুরস্ক রাষ্ট্রের গতিপথই বদলে যেতে পারে। এরদোগান এখনো বিপুলভাবে জনপ্রিয়। তাই নির্বাচনের ফল যখন আসতে শুরু করবে, তখন সংশয়বাদীরা ভুল প্রমাণিত হতে পারেন।