ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেগম জিয়ার মুক্তি ও সরকারকে হঠাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই: হেলাল খান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় একটি পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাব কমিটির আহ্বায়ক শেখ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসনের সঞ্চালনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে সভা করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চিত্রনায়ক হেলাল খান বলেন, “বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তছনছ করা হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করা হয়েছে। এখন তাকে চিকিৎসা দিতেও গড়িমসি করা হচ্ছে। এ সরকারকে হঠাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এর বিকল্প কোনো পথ নেই ।

“জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা শেখ হাসিনা সরকারের বাজেট জনগণ প্রত্যাখান করেছে। কারণ, এ বাজেট করা হয়েছে আওয়ামী লীগের লোকজনের স্বার্থে, লুটতরাজের অভিপ্রায়ে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের মধ্য দিয়ে তারা আবারো ক্ষমতায় থাকতে চায়।”

বিশেষ অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ বলেন, “সরকার জেনে গেছে যে ৯৫% মানুষই তাদেরকে চায় না। এজন্য বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে আরেকটি ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের ফন্দি এঁটেছে। কিন্তু বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিতরা তা হতে দেবে না।”

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল বলেন, “ঈদের পর আন্দোলনের ডাক এলেই সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে কাজ করতে হবে।”

যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন বলেন, “ঈদের পর জাতিসংঘ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে কর্মসূচি দেওয়া হবে। সেখানে দলে দলে যোগদানের প্রস্তুতি নিন এখন থেকেই। ১/১১ পরবর্তী সময়ের চেতনায় দূর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে অপসারণ করে জনগণের সরকার বসাতে হবে।”

জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা দারাদ আহমেদ বলেন, “গান্ধীজির মতো অহিংস আন্দোলনের দিন শেষ। এখন প্রয়োজন টেনে-হিঁচড়ে গদি থেকে নামানোর আন্দোলন। সরকারের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশের ওপর ভরসা করে থাকলে শত বছরেও বেগম জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আবু তাহের, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বাবরউদ্দিন, ব্রুকলিন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, কাজী কামাল, সিদ্দিক হুসেন রুবেল, এটিএম হেলালুর রহমান ও তমিজউদ্দিন।

নেতা-কর্মীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, ফারুক হোসেন মজুমদার, বাকির আজাদ ও আবুল কালাম প্রমুখ। ইফতারের প্রাক্কালে মাওলানা আবুল কালামের নেতৃত্বে বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম জিয়ার মুক্তি ও সরকারকে হঠাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই: হেলাল খান

আপডেট সময় ০৩:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় একটি পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাব কমিটির আহ্বায়ক শেখ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ ও সদস্য সচিব আনোয়ার হোসনের সঞ্চালনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে সভা করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চিত্রনায়ক হেলাল খান বলেন, “বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তছনছ করা হয়েছে। গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করা হয়েছে। এখন তাকে চিকিৎসা দিতেও গড়িমসি করা হচ্ছে। এ সরকারকে হঠাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এর বিকল্প কোনো পথ নেই ।

“জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা শেখ হাসিনা সরকারের বাজেট জনগণ প্রত্যাখান করেছে। কারণ, এ বাজেট করা হয়েছে আওয়ামী লীগের লোকজনের স্বার্থে, লুটতরাজের অভিপ্রায়ে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের মধ্য দিয়ে তারা আবারো ক্ষমতায় থাকতে চায়।”

বিশেষ অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ বলেন, “সরকার জেনে গেছে যে ৯৫% মানুষই তাদেরকে চায় না। এজন্য বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে আরেকটি ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের ফন্দি এঁটেছে। কিন্তু বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিতরা তা হতে দেবে না।”

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল বলেন, “ঈদের পর আন্দোলনের ডাক এলেই সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে কাজ করতে হবে।”

যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন বলেন, “ঈদের পর জাতিসংঘ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে কর্মসূচি দেওয়া হবে। সেখানে দলে দলে যোগদানের প্রস্তুতি নিন এখন থেকেই। ১/১১ পরবর্তী সময়ের চেতনায় দূর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে অপসারণ করে জনগণের সরকার বসাতে হবে।”

জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা দারাদ আহমেদ বলেন, “গান্ধীজির মতো অহিংস আন্দোলনের দিন শেষ। এখন প্রয়োজন টেনে-হিঁচড়ে গদি থেকে নামানোর আন্দোলন। সরকারের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশের ওপর ভরসা করে থাকলে শত বছরেও বেগম জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আবু তাহের, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বাবরউদ্দিন, ব্রুকলিন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, কাজী কামাল, সিদ্দিক হুসেন রুবেল, এটিএম হেলালুর রহমান ও তমিজউদ্দিন।

নেতা-কর্মীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, ফারুক হোসেন মজুমদার, বাকির আজাদ ও আবুল কালাম প্রমুখ। ইফতারের প্রাক্কালে মাওলানা আবুল কালামের নেতৃত্বে বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়।