ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সুবিধা দিলে রাজাকারদের গায়ে সয় না: মতিয়া

বিধবাদের ঈদ উপহার বিতরণকালে বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, রাজাকাররা এখনো বুক ফুলিয়ে হাঁটতে চায়। অনেক রাজাকার মনে করে তারা ৭১ এ কিছুই করেনি। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যা তা বলে। শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দিলে, তাদের সন্তানদের চাকরি দিলে রাজাকারদের গায়ে সয় না।

রোববার বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি হাসান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাঁকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের বিধবাদের ঈদ উপহার বিতরণকালে এক নারী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা দিলে তাদের মাথায় আগুন জ্বলে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলার মাটিতে আর রাজাকারদের ঠাঁই হবে না। একদিন না একদিন সব রাজাকারের বিচার হবে।

সমাবেশে বিধবাদের দুঃসময়ের কথা স্মরণ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ৭১ সালের ২৫ জুলাই সোহাগপুর গ্রামের ১৮৭ জন পুরুষ মানুষকে প্রকাশ্যে হত্যা করে পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার বাহিনী। ১৯৯২ সালে বিরোধী দলের এমপি থাকার সময় প্রথম আমি সোহাগপুরের বিধবাদের কথা জানতে পারি। সেদিন দুই কেজি করে চাল দিয়ে আমি তাদের সহায়তা শুরু করি। এর আগে সোহাগপুরের কথা কেউ জানতো না।

সমাবেশে উপস্থিত বিধবাদের সালাম জানিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, আমরা আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের স্বামী সন্তানের রক্তে আজ আমরা স্বাধীন হয়েছি। আবার আপনাদের সাক্ষীতেই একাত্তরের ঘাতক আলবদর কমান্ডার কামারুজ্জামানের ফাঁসি হয়েছে। আপনাদের জন্য আমাদের মাথা উঁচু হয়েছে। তাই প্রবাসে থেকেও আপনাদের কথা অনেকের মনে পড়ে। এতে দেশ গর্বিত হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি, নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সুবিধা দিলে রাজাকারদের গায়ে সয় না: মতিয়া

আপডেট সময় ০৯:২৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, রাজাকাররা এখনো বুক ফুলিয়ে হাঁটতে চায়। অনেক রাজাকার মনে করে তারা ৭১ এ কিছুই করেনি। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যা তা বলে। শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দিলে, তাদের সন্তানদের চাকরি দিলে রাজাকারদের গায়ে সয় না।

রোববার বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বরুয়াজানি হাসান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাঁকরকান্দি ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের বিধবাদের ঈদ উপহার বিতরণকালে এক নারী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা দিলে তাদের মাথায় আগুন জ্বলে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলার মাটিতে আর রাজাকারদের ঠাঁই হবে না। একদিন না একদিন সব রাজাকারের বিচার হবে।

সমাবেশে বিধবাদের দুঃসময়ের কথা স্মরণ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ৭১ সালের ২৫ জুলাই সোহাগপুর গ্রামের ১৮৭ জন পুরুষ মানুষকে প্রকাশ্যে হত্যা করে পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার বাহিনী। ১৯৯২ সালে বিরোধী দলের এমপি থাকার সময় প্রথম আমি সোহাগপুরের বিধবাদের কথা জানতে পারি। সেদিন দুই কেজি করে চাল দিয়ে আমি তাদের সহায়তা শুরু করি। এর আগে সোহাগপুরের কথা কেউ জানতো না।

সমাবেশে উপস্থিত বিধবাদের সালাম জানিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, আমরা আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের স্বামী সন্তানের রক্তে আজ আমরা স্বাধীন হয়েছি। আবার আপনাদের সাক্ষীতেই একাত্তরের ঘাতক আলবদর কমান্ডার কামারুজ্জামানের ফাঁসি হয়েছে। আপনাদের জন্য আমাদের মাথা উঁচু হয়েছে। তাই প্রবাসে থেকেও আপনাদের কথা অনেকের মনে পড়ে। এতে দেশ গর্বিত হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি, নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।